সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে অনিরুদ্ধ গোস্বামী (পর্ব – ১৯)

অদৃশ্য প্রজাপতি

সাড়ে এগারো টা নাগাদ আবাদ প্লাজা র রেস্টুরেন্ট এ আমি ,কুটটি আর জিনু। জিনু আমাদের অনেকদিনের ডিস্ট্রিবিউটর। তার কাছে জানলাম ত্রিবান্দ্রাম এর কোম্পানি টির মালিক একজন ডাক্তার ও তার বেশ কয়েকজন বন্ধু ডাক্তার। কোম্পানি টি বিসনেস করে বিশেষ কয়েকটি জায়গায় মানে “পকেট সেল”। আর পুরোটা চলে ডাক্তার দের কন্টাক্ট এর ওপর। সেলস ফোর্স এর কাজ যোগাযোগ টি ঠিক রাখা বিভিন্ন সার্ভিস এর মাধ্যমে। কোম্পানির অ্যানুয়াল রিপোর্ট এ খুব ভালো নেই, প্রফিট এ চলছে না। এই প্রোডাক্ট টি তুরুপের তাস। এবং এটি ঠিক না দাঁড়ালে কোম্পানি খুব সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে না।
লাঞ্চ এর পর আমি আর কুটটি অফিস এ গেলাম। তাদের আর আমাদের প্রোডাক্ট টি পাশাপাশি রেখে তুলনা করে দেখলাম হুবহু এক। একটা তালিকা করলাম প্রথমে। কুটটি বললো “নীল আপনি লিখুন আমি বলে যাচ্ছি”
১]১০ টি করে ভায়াল একটি স্ট্রিপ এ
২ ]৫০ টাকা পুরো স্ট্রিপ মানে ৫ টাকা একটি ভায়াল
৩]এম্বার রং এর ভায়াল।
৪] প্যাকিঙ একই রকম
৫]দশ টি ভায়ালএ একটি ফ্রি (১০% ট্রেড অফার)।
মানে আমাদের বিসনেস প্ল্যান পুরো নকল করা হয়েছে। কিছু ইনফরমেশন যেমন Amber রঙের ভায়াল , ফটো সেনসিটিভ প্যাকেজিং, দাম এবং ট্রেড অফার যা কেবল আমি আর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানতাম। আর কিছুটা বিন্সি। এরা জানলো কি ভাবে?

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।