হৈচৈ ছড়ায় অঞ্জলি দে নন্দী, মম

বাঁদর
এক যে ছিল বাঁদর।
খুব ছিল তার আদোর।
গায়ে ছিল পশমের চাদর।
যখন এলো ভাদোর
তখন সে করল বিয়ে।
সেজেগুজে টোপোর মাথায় দিয়ে।
এক ক্রোশ পথ গিয়ে।
পালকী চড়ে ফিরল বৌকে নিয়ে।
বরের নাম দেবা।
বৌয়ের নাম রেবা।
পত্নী খুব করে পতির সেবা।
স্বামী ছাড়া স্ত্রীর আছেই কে বা।
এক বছর পর ওদের হল এক ছানা।
যদিও তার এক চোখ, সে কানা,
তবুও মুখটি তার চাঁদপানা।
নাম তার সোনামানা।
ওরা সবাই ছিল পোষা।
মালিক ওদের খেতে দিত ডোসা।
আর খেতো ছাড়িয়ে কলার খোসা।
শখ ছিল তাদের মিছড়ি চোষা।