T3 || ঘুড়ি || সংখ্যায় অমৃতাভ দে

ঘুড়ি
রংবেরঙের নানান ঘুড়ি
উড়ছে দ্যাখো আকাশ জুড়ে
একটা ঘুড়ি মেঘের মতোই
নীরব হয়ে তাকায় দূরে।
একটা ঘুড়ি নৌকো হয়ে
জলছবিতে ভাসতে থাকে
একটা ঘুড়ি গল্প হয়ে
নানান ভাষায় ডাকতে থাকে।
এক পৃথিবী অসুখ এখন
এক পৃথিবী মনের ব্যথা
উড়ছে ঘুড়ি, বলছে ঘুড়ি
ছোট্টবেলার কত্ত কথা।
ওই ঘুড়িটা ফুলের মতোন
নক্সাকাটা পাখির পালক
মেঘের ভেলায়,আতসবাজি
খেলছে যেন রাখালবালক।
উড়তে উড়তে একটা ঘুড়ি
পৌঁছে গেল নতুন দেশে
সেই যেখানে কৃষ্ণঠাকুর
বাজায় বাঁশি পথের শেষে ।
অসুখ তো নেই সে-পথ জুড়ে
কৃষ্ণচূড়ার পরাগমাখা
পথের বাঁকে দুঃখ তো নেই
সুরের নদী বইছে একা।
সুরের নদীর ছন্দ নিয়ে
উড়ল ঘুড়ি এপার-ওপার
শব্দ নিল মনের মতো
মেঘপরীদের গল্প লেখার।
নতুন দেশে সেই ঘুড়িটাই
লিখল নতুন গল্পগাথা
সেই ছেলেটা সুতোর টানে
কুড়িয়ে নিল সেসব পাতা।
কোন্ ছেলেটা? আমিই নাকি?
ভুল হয়ে যায়, চিনতে বুঝি!
আকাশ জুড়ে উড়ছে ঘুড়ি
ঘুড়ির ভিতর গল্প খুঁজি।
ঘুড়ির ভিতর গল্প লেখা
কাব্য লেখা এক পৃথিবী
রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে মেয়ে
বলল ডেকে, ‘সঙ্গে নিবি?”
এক পৃথিবী অসুখ এখন
এক পৃথিবী মনের ব্যথা
উড়ছে ঘুড়ি ,বলছে ঘুড়ি
তোমার কথা,আমার কথা।