টিকটিকি মুখ তুলে বলল,
কী ?
পরিযায়ী পাখিদের দলকে ধরতে গেলে অসুবিধে হচ্ছে ।
টিকটিকি নির্বাচন দপ্তরে কয়েকদিন গেছিল । মানে পলাশিপাড়ার ব্লক অফিসের নির্বাচন দপ্তর । সেখানে তাপসবাবু বলে লোকটা একাই ব্যাপক পরিশ্রম করেন । ওঁকে ঘিরে থাকেন প্রায় সারা বছরই পুরুষ, মহিলা নির্বাচন-কর্মীরা । দুটো ইংরেজি শব্দ মুখস্থ করে নিয়েছে টিকিটিকি । বাংলা পরিভাষা মনে মনে করে ফেললো টিকটিকি ।
স্থানান্তরিত ।
কোকিল দম্পতি বলল,
কিছু বললেন মহাত্মন !
টিকটিকি হেসে বলল, না । যদি কেউ দু-দিন, দু-রাত পলাশিপাড়ায় বসবাস করে তাদের গণনার মধ্যে আনতে হবে ।
টিকটিকির বিচক্ষণতায় অবাক হয়ে গেল কোকিল দম্পতি । অবাক করার আরো কিছু উপাদানও তখনও টিকটিকির হাতে রয়েছে ।
সে বলল,
মৃতদের তালিকা করেছ তো !
দুজনেই একসঙ্গে বলল,
না ।
করতে হবে । গণতন্ত্রের সংবিধান সবে তৈরি হচ্ছে । নির্বাচনের প্রঘোষন হতে এখনও ঢের দেরী । কেউ কেউ ইতিমধ্যে মারাও যেতে পারেন – খেয়াল রাখতে হবে ।
কোকিল দম্পতি টিকটিকির বিচক্ষণতায় অবাক হয়ে গেল ।
এইসময় দাঁড়কাক দম্পতি এসে দাঁড়াল ।
টিকটিকি বলল,
আপনারা কিছু বলবেন !