কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলিনূর চৌধুরী

বাতাসে শকুনের গন্ধ
বাতাসে ভাসে আজি শকুনের গন্ধ –
তারই আনাগোনা
সূধী, সুজন আছে তবে হাতে গোনা
তীরন্দাজ তীর ছুড়েই অরণ্যে লুকায়
থেকে থেকে আড়ি পেতে তাকায়
দাই দাই, খাই খাই নিপাতনের সন্ধিতে বন্দি
সিন্দুক নয়, বস্তায় ভরে রাখে টাকার কান্দি
তারাই আবার সাধু সেজে
দরিদ্রকে ভেজে ভেজে
জল ছাড়াই নির্ভিগ্নে গলে ঢালে
উচ্ছিষ্ট ঢালে কোনো এক দূর খালে
বাক সে তো গেছে অনেক আগেই হারিয়ে
সেজে আছি বাকপ্রতিবন্ধি, সত্তাকে তাড়িয়ে
শহরতলি থৈথৈ গাঁও গঞ্জে পৈপৈ –
সপাট পেরেক আঁটা ঠোঁটে
তবুও কোন যে হুজুগে বেড়িয়ে এলো ভোটে
তারপর কেনা গোলাম
সময় অসময় শুধুই দিতে হয় সালাম
বাড়ছে উইপোকাদের মালমশলার দাম-
ব্যাঙের মত লাফিয়ে লাফিয়ে
তার তাপে ফুঁসছে আজি দয়াগঞ্জ কাঁপিয়ে
সিলনোড়া ছাড়াই
নেংটি বেঁধে তারাই
পিষছে হলুদ রঙা উইপোকার ঢিবি
শুনেছি হোথায় নাকি গড়ে উঠবে সুরম্য টিবি।
জলের দামে সব ছাঁটকাট
সঞ্চয় বাড়াতে রাস্তাঘাটেও আঁটসাঁট
কিইবা করার, চলতে হবে –
পাতালে
উড়ালে
লাঙল দা কাঁচি তো চলে না
এ দিয়ে যে উচ্চ ফলনও ফলেনা
তাই তো হাঁটা পথ ফেলে
চড়তে হবে এখন রেলে
অল্পসল্প সময়ে গন্তব্য দিবো পাড়ি
তাই তো এত আয়োজন-
পুরাতন, তারে ছাড়ি।