শ্রোত্রিয় বলল,
না ।
তবুও বেঁচে রয়েছে । কেন জানিস !
না স্যার ।
স্রষ্টার অহং থাকলে মুছে যেতো । দ্রষ্টা-পুরুষ ওগুলোর মধ্যে বেঁচে রয়েছেন । তোকে সহজ করে বলি ।
সোডিয়ামের পারমানবিক ক্রমাঙ্ক কতো ?
এই হচ্ছে মাস্টারমশাইয়ের মাথার ব্যামো । কাল শুরু হবে ইলেকট্রন, প্রোটনের পরিচয় আর উনি এখনই ক্রমাংক জিজ্ঞেস করছেন । ভাগ্যিস শ্রোত্রিয়ের পড়া আছে, সে বলল – ‘১১’ ।
মানে ২, ৮, ১ । এই তো ইলেকট্রনের সজ্জা ।
আর ক্লোরিন !
হঠাৎ নাচতে শুরু করলেন নন্দ-স্যার ।
বল ক্লোরিনের ক্রমাংক ।
শ্রোত্রিয় বলল,
১৭ ।
মানে ২, ৮, ৭ । ১ম কক্ষ, ২য় কক্ষ, ৩য় কক্ষ । তুই নাচতে জানিস !
শ্রোত্রিয় বলল,
না ।
তার এখন ভয় করছে । সবাই নন্দ স্যারকে পাগল বলে । এবার তিনি উদ্বাহু হয়ে নাচতে থাকলেন ।
বললেন, এই যে আমি ঘুরে ঘুরে নাচছি তোর চারদিকে – আমি হচ্ছি ইলেকট্রন । এক বা একের অধিক । আর তুই হচ্ছিস কেন্দ্র । নিউক্লিয়াস । সেখানেই রয়েছে প্রোটন, নিউট্রন ।
স্যার নেচেই চলেছেন । অন্ধকার গাঢ় হচ্ছে এবার ।
শ্রোত্রিয় বলল,
স্যার – বাড়ি চলুন । ডাকাতিয়ার মাঠে আজ যেতে হবে না ।