কবিতায় অরুণ চক্রবর্তী

ছাড়পোকা
ছাড়পোকা সব দিচ্ছে কামড়,জ্বলছে ভীষণ চামড়া
লোকাল ট্রেনে বসে আছি,বেশ অসুবিধায় আমরা
আদ্দিকালের ট্রেনের কামড়া, আসনগুলো কাঠের
বসে আছে ব্যবসায়ী সব ডালিমগাঁও হাটের।
দিনটা আজ রবিবার, হাটটা বেশ জমকালো
ভোরের ট্রেনেই ভীষণ ভিড়,বেঁচাকেনা বেশ ভালো
হাটের মাঝে রসিদ সাহেব বসেন নানা খাবার নিয়ে
স্বাদের ভেতর মনের ছোয়া, খায় সবাই মন দিয়ে।
সৌরেনবাবু অর্ডার দেন শর্করাহীন দুধের চা
ঘুগনি প্রিয় বিমল বলে,’তোরা যার যা ইচ্ছে খা’
রসিদবাবু ঝামেলায় পরেন অস্বস্তিতে নিজে
হেসে বলেন,’ ছাড়পোকা কামড় সুখের হয় কী যে?’
সেখান থেকে গেলাম আমার জন্মস্থানের ভিটা
দরজা খুলে দিলেন এসে আলফার ভাই বিটা
সেখানে আবার বসলাম সবাই কাঠের চেয়ার পেতে
ছাড়পোকা গুলো দেখি আবার উঠলো বেশ মেতে।
কুটুস কুটুস কামড় আবার করলো তারা শুরু
আগে যারা ছাড়পোকা ছিল এখন তারাই গুরু।