সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে অভিজিৎ চৌধুরী (পর্ব – ৫৮)

না মানুষের সংসদ
মন, তুই পড়ছিস না কেন মা !
মন বলল,
কতো তো পড়ি মা !
এটুকু পড়লে হবে !
খৈতান মৈত্রের কাছে বিমান আর চিত্রলেখা মনকে নিয়ে এসেছে । স্কুল থেকে শুধু নালিশ আসছে । ম্যাডামরা লিখতে বললে লেখে না । বাইরের আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে । নিজের ক্লাসে বসে না অন্যান্য ক্লাসে ঘুরে বেড়ায় ।
মনের বয়সি বা তার চেয়ে বড়দের ভীড় খৈতান মৈত্রের চেম্বারে । বাবা-মা নিয়ে এসেছে কাউন্সিলিং করাতে । সমস্যা একই পড়াশুনায় মন নেই ।
চিত্রলেখা বিমানকে বলল,
মেয়েটা ক্লাসে ফার্স্ট হতো – কি যে হলো ওর ।
চিত্রলেখার চোখ দুটো দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল । মনের বাবাও খুব চিন্তিত । মেরেছেও কয়েকদিন । কিছুই হচ্ছে না , আজকাল কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না । চেম্বারের ভিতরে মনকে নিয়ে ঢুকল ওরা । খৈতান মৈত্রের মোটাসোটা চেহেরা তবে হাসি-হাসি মুখ ।
চিত্রলেখা কিছু বলতে যাচ্ছিল, খৈতান মৈত্র চুপ করিয়ে দিলেন ।
মন, তোমার নাম কী ?
মন মিষ্টি করে হেসে বলল,
তুমি তো জানো আমার নাম ।
ঠিক, ঠিক । আমি তো তোমার বন্ধু, তাই তোমার নাম জানি ।