পূর্বপাঠ : বাংলা তথা ভারতে সেন্সরশিপ ঔপনিবেশিকতার অমােঘ উপহার। এই উপহার প্রস্তুতি, প্রদান ও গ্রহণ অত্যন্ত সুচারুভাবে একটা লম্বা সময় ধরে চলেছিল। ৪৪৩ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে রােমে সেন্সর শব্দটির জন্ম। ল্যাটিন শব্দ সেন্সরে (Censere) এর উৎস-শব্দ। যার বাংলা তর্জৰ্মা, বিচার করা। রােমান সেন্সর ছিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট গােত্রীয় সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মী, যারা নাগরিকদের নীতি-নৈতিকতা-ক্রিড়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশ করতেন।
উনিশ শতকের দুনিয়ায় চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হল। যদিও বিশ শতকের আগে সেভাবে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ভূমিকা চলচ্চিত্র পালন করেনি। ধনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অন্যতম হাতিয়ার হয়ে ওঠার পথে চলচ্চিত্রের গলায় মুক্তমনার ফাস বিপজ্জনক, তাই অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠল নির্দেশ, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ—জনপ্রিয় শব্দে সেন্সরশিপ। এ প্রসঙ্গে অ্যাডল্ফ স্যানচেজ ভাজকুয়েজ (১৯৭৩) এর উক্তি স্মরণীয়
“Capitalism… is interested in levelling both artistic production and the tastes which determine its enjoyment and consumption…Since it is one of the most effective ways of preserving the alienating, reifying relations characteristic of capitalist society.”
উনিশ শতকের প্রথমার্ধে রুশ বিপ্লবের ঐতিহাসিক সাফল্য যখন পৃথিবীব্যাপী প্রগতিশীলতা ও মুক্তচেতনার জোয়ার আনছে, তখন তার অভিঘাতে নড়ে চড়ে বসে ব্রিটিশ-রাজ এবং কিছুদিন পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ব্রিটিশ বাের্ড অফ ফিল্ম সেন্সরজ এর মাথায় বসানাে হয় ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ পাবলিক মরালজ বাের্ডকে। এই বাের্ডের দ্বিতীয় সভাপতি টি. পি. ওকনর সেন্সরশিপের যে তেতাল্লিশটি বিধি প্রণয়ন করেছিলেন, তন্মধ্যে উনিশটি ছিল যৌনতা সম্পর্কিত। তারই সাথে ছিল সামাজিক-রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা—বিতর্কিত রাজনীতির উল্লেখ, শ্রমিক ও পুঁজিপতির সম্পর্ক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা দল বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত নিন্দা, যুদ্ধের বীভৎসতা, ভারত পরিস্থিতি বিষয়ক বিষয়ক সিনেমা যেখানে ব্রিটিশ অফিসারদের নেতিবাচক ভূমিকা ও রাজ্যগুলির রাজ-আনুগত্য ক্ষুন্ন হচ্ছে ইত্যাদি। এগুলিই ভারতবর্ষে আরও কঠোরভাবে বলবৎ ছিল ১৯৭৮ সালের ৬ই জানুয়ারি অবধি।। প্রাসঙ্গিক কিছু ঘটনাবলীর অনুসঙ্গ জরুরী। ১৯১০ সালে জনসন ও জেফরিজ এর মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র ব্রিটিশরাজ ও মার্কিনিদের রক্ত চক্ষুর কবলে পড়ে। নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাদের যুক্তি ছিল এটি অপ্রাপ্ত বয়স্কদের মনে পাশবিক প্রবৃত্তির জন্ম দিতে পারে। যদিও আপত্তির মূলে ছিল তথ্যচিত্রে দেখানাে শ্বেতাঙ্গ মুষ্টিযােদ্ধার বিরুদ্ধে কৃষ্ণাঙ্গ মুক্তিযােদ্ধার জয়। জার্মান কমিউনিষ্ট নেতা আর্নস্ট টেলমানের মুক্তির দাবিতে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র নিষিদ্ধ করা হয়। ওকনর টেলমানকে সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়েছিলেন। ব্রিটিশ বাের্ড ওকনরের নীতি প্রয়ােগ করে নিষিদ্ধ করে ‘ব্যাটলশিপ পােটেকিন’, ‘দি এনড অফ সেন্টপটারসবার্গ, ‘মাদার’, ‘অক্টোবর’, ‘নিউ ব্যাবিলন। ফ্রান্সেও নিষিদ্ধ হয় ‘মাদার’, ‘পােটেমকিন’, ‘দ্য জেনারেল লাইন’; শেষটির ক্ষেত্রে কারণ দেখানাে হয় মস্কোপন্থী ভাবাদর্শ। উদার ডেনমার্কেও পুদোভকিনের ‘মাদার’ নিষিদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে কর্মবার্তাদের যুক্তি ছিল, ধর্মঘটীরা যে দৃশ্যে তাদেরই একজনের বাড়িতে কাঠের মেঝের পাটাতনের নীচে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখে, তাতে দর্শকদের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
নতুন সােভিয়েত সিনেমা দেখার আশায় ১৯২৫ সালে লন্ডনে প্রথম ফিল্ম সােসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সােসাইটির সদস্যদের আনসেন্সরড ছবি দেখবার সুযােগ করে দিয়ে খুশিই হন। কিন্তু ১৯২৯ এর ডিসেম্বরে, সােসাইটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আইভর মনটের নেতৃত্বে শ্রমিক ফেডারেশন গঠিত এবং ফেডারেশন ‘দ্য ম্যাসেজ স্টেজ অ্যান্ড ফিল্ম গিল্ড’ নামে অন্তর্ভুক্ত হলে সতর্ক হয়ে যান ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। শ্রমিকরা ‘মাদার’ দেখাবার উদ্যোগ গ্রহণ করতেই বাের্ড বাধা দেয়। থিয়েটার্জ অ্যান্ড মিউজিক হলজ’ কমিটি কারণ দর্শায়, গিল্ড এর চাঁদা মাত্র এক শিলিং আর সােসাইটির চাদা ২৫ শিলিং!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধান বনাম সেন্সরশিপের আইনি লড়াই সুবিদিত। প্রথম, পঞ্চম ও চতুর্দশ সংশােধনীতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাংবিধানিক ভাবেই, বাকস্বাধীনতা-সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকারে হাত দেওয়ার আগে ‘আইনি রক্ষাকবচ’; যা সেন্সরশিপ বিরােধী। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত মার্কিন কোর্টগুলি চলচ্চিত্রকে ‘পিওর অ্যান্ড সিম্পল বিজনেন্স’ অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, বাকস্বাধীনতার যুক্তি চলচ্চিত্রে প্রযােজ্য হবে না। রুশ বিপ্লব পরবর্তী দুনিয়ায়, ১৯১৯ সালে বিচারপতি হােমস ও ব্র্যানডিসের নেতৃত্বে মার্কিন কোর্ট বাকস্বাধীনতার অধিকারকে সংকুচিত করে, ‘স্পট এবং প্রত্যক্ষ বিপদের আশঙ্কার অমূলক তত্ত্ব আমদানি করে।
১৯৭৫ সালে ‘আঁধি’ নিষিদ্ধ হয় জরুরি অবস্থায়, ইন্দিরা গাঁধীর চরিত্র অবলম্বনে নাম ভূমিকায় ছিলেন সুচিত্রা সেন। ১৯৯৩ তে নির্মিত দক্ষিণী ছবি ‘কুট্টারাপাথিরিকাই’ ২০০৭ অবধি নিষিদ্ধ থাকে, রাজীব হত্যা পটভূমিতে থাকায়। প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ ফুলন দেবী অবলম্বনে ‘ব্যান্ডিট কুইন’ ১৯৯৪ তে মুক্তি পায়নি। ২০০৪ ও ২০০৫ তে নির্মিত দুটি ছবি ‘ফাইনাল সলিউশান’ ও ‘ওয়াটার’ হিন্দু উগ্রবাদীদের মুখােশ খুলে দেয় ও নিষিদ্ধ হয়।
কলকাতা কাহিনী: ১৯৭৭ সালের ২৯শে অগস্ট লােকসভায় জনতা সরকারের সময়কালে সেন্সর বাের্ড রিপাের্ট পেশ করে, জরুরি অবস্থার সেন্সরশিপ নিয়ে। তাতে উল্লেখ রয়েছে, সিকিম’ নামে একটি বাংলা তথ্যচিত্র এর। কোনাে ছবির পরিচালকের নাম উল্লিখিত ছিল না, তাই অনেকেই খেয়াল করেননি যে ছবির পরিচালক বিশ্ববরেণ্য সত্যজিৎ রায়। ১৯৭১ সালে নির্মিত এই তথ্যচিত্রের আলােকচিত্রগ্রাহক ছিলেন সৌমেন্দু রায়। ১৯৭৫’এ সিকিমের ভারত সংযুক্তির পর এটি নিষিদ্ধ করা হয়। কারণ দর্শানাে হয়েছিল যে ছােগয়াল শাসিত স্বাধীন রাজ্য সিকিমের প্রদর্শন দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুন্ন করতে পারে।
১৯৯২ তে বাম শাসনে অতিদুর্ভাগ্যজনকভাবে শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘সিটি অফ জয়’ সিনেমার। কলকাতার ক্লেদ- গ্লানি ফুটিয়ে তােলা হচ্ছিল বলে অভিযােগ। পরিবর্তনের জোয়ারেও সেন্সরশিপ টাল খায়নি। ২০১৩ তে সুমন মুখােপাধ্যায়ের ‘কাঙ্গাল মালসাট’ সিবিএফসি আটকে দেয়, অশ্লীল ভাষা-যৌনতা-সামাজিক আন্দোলনের নগ্নতা প্রদর্শনের অভিযােগ।
পুনশ্চ
ভারতের শাসকশ্রেণী সাম্প্রতিক সময়েও খােসলা রিপাের্ট অনুসারী হয়ে অভিসন্ধিমূলক নিষেধাজ্ঞায় রত। যৌনতাকে প্রায় অনেকটা ছাড় দিয়ে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকদের সস্তা আমােদে নিমজ্জিত রেখে সামাজিক-রাজনৈতিক চিন্তা-পরিসর থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাইছেন, ফিল্ম সােসাইটি আন্দোলন, সিনে ক্লাব, সামজবিজ্ঞানী, বামপন্থী সাংস্কৃতিক কর্মীদের।
ভারতমাতার জয়
১৯২৮ সালে ব্রিটিশ রাজ ভরতবর্ষে প্রথম সিনেম্যাটোগ্রাফ অ্যাক্ট তথা সেন্সরশিপের আইনি শিলান্যাস হয়। ১৯১৯ ও ১৯২০ সালে এই অ্যাক্ট-এর দুটি সংশােধনী একে আরও জোরালাে করে তােলে। ইতিমধ্যেই ১৯১৭ তে ম্যাডানের পৃষ্ঠপােকতায় প্রথম স্বীকৃত বাংলা চলচ্চিত্র ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ মুক্তি লাভ করেছে। অন্যদিকে, ১৯১৯ এর মে মাসে রাজা মহেন্দ্রপ্রতাপের নেতৃত্বে প্রবাসী ভারতীয় বামপন্থী বিপ্লবীদের একটি দল লেনিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন, ১৯২০ সালের ১৭ই অক্টোবর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়। সংশােধিত অ্যাক্ট অনুসারে, মুম্বাই-কলকাতা-চেন্নাই ও রেঙ্গুল পৃথক পৃথক বাের্ড অফ ফিল্মি সেনসরজ অফিস স্থাপিত হয়। মুম্বাই বাের্ড, ফিল্ম ইন্সপেক্টরদের জন্য কিছু সাধারণ বিধি করেন। যার মধ্যে ওকনরের বিয়াল্লিশটি বিধিই হুবহু অন্তর্ভুক্ত হয়। এছাড়া আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা স্পষ্টভাবে যােগ করা হয়—‘ব্রিটিশ রাজের সৈনিক, মন্ত্রী কর্মচারী, বিচারক পুলিশ ও বিদেশী দুতের সম্পর্কে অবজ্ঞা, সামাজিক উত্তেজনা ও অসন্তোষ বৃদ্ধিকারক ছবি বা, সরকারের প্রতি অসন্তোষ বা প্রতিরােধ অথবা আইন ভঙ্গের সম্ভাবনাকে উসকে দেয় এমন ছবি। ১৯২১-২৪ সময়কালে বিভিন্ন সরকারী প্রতিবেদনে সেন্সরশিপের উপরে পুরােপুরি সরকারী নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব আসতে থাকে, যার সূত্রপাত হয় যখন ভারত বিষয়ক স্বরাষ্ট্র সচিব এডউইন মন্টেগু ‘ওয়েস্টমিনিস্টার গেজেট পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রবন্ধের কপি ভারতে পাঠিয়ে সেন্সরশিপ ব্যবস্থায় ফাক ও ফাঁকি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ১৯৫২ সালে নতুন সিনেমাটোগ্রাফ অ্যাক্ট চালু হল। কেন্দ্রীয় সরকার আরও প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করলেন। ১৯৬৯ সালে এই বিধি শেষ বার সংশােধিত হয়। এই আইনের বেশির ভাগই ব্রিটিশ রাজের মুম্বাই বাের্ডের প্রায় সমউচ্চারণ। ১৯৬৯-এর খােসলা কমিটির রিপাের্ট গ্রহণে সরকারের পক্ষে অস্বস্তিকর কিছুই ছিলনা। বরঞ্চ যৌনতা প্রশ্নে কিছুটা স্বাস্থ্যকর উদারতার পরিচয় দিলেও রাজনৈতিক প্রশ্নে আরও গোঁড়ামিরই পরিচয় দিয়েছিলেন।
১৯৫৯-২০১৬ অবধি ৩৬টি সিনেমা নিষিদ্ধ হয়েছে এদেশে, যার সূত্রপাত ‘নীল আকাশের নীচে’ ছবির হাত ধরে। অভিবাসী চিনা শ্রমিকের দুর্দশা বর্ণনায় ছবিটি দু’মাস নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তী সময়ে যৌনতার বিষয়ক পরিসীমা লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে ‘ফায়ার’, ‘পাঞ্চ’, ‘দ্য পিংক মিরর’ ইত্যাদি ছবি নিষিদ্ধ হলেও রাজনীতির হাত লম্বা থেকেছে বরাবর। মুক্তমনা মানুষদের সেন্সরশিপের মত স্পর্শকাতর শিল্প-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থেকে বাধ্য কেন্দ্রীয় শাসকগােষ্ঠী করছেন দূরে থাকতে। অধুনা হিন্দুত্ববাদী সরকারের রাজনৈতিক মদতে প্রতিবাদী অভিনেতা-পরিচালক প্রকাশ রাজ হুমকির মুখােমুখি। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে পদ্মাবত সিনেমার মুক্তি স্তব্ধ। অপরাধ, চিতােরের রানীর সাথে আলাউদ্দিন খলজির কল্পিত শয্যাদৃশ্য! রাজপুত ভাবাবেগ! হিন্দি বলয়ের ভােট ব্যাঙ্ক বড় বালাই। সামনেই লােকসভা ভােট। ঠিক একইভাবে, গােয়া আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুরি কমিটির সমর্থন সত্ত্বেও বাদ পড়ল ‘নুড’ ও ‘এস দুর্গা’ (সেক্সি দুর্গা নাম ছিল প্রথমে)। অভিসন্ধির লক্ষ্য বুঝতে কারও অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। জুরি কমিটির প্রধান, খ্যাতনামা বাঙালি পরিচালক সুজয় ঘােষ পদত্যাগ করলেন। যদিও মুম্বাই ইন্ডাস্ট্রিতে কোনাে ঝড় উঠল না। বিস্ময়ের কারণ নেই। অনুপম খেররা সংখ্যায় ভারী। মুক্তমনার নাভিশ্বাসে ‘অচ্ছে দিন’ চলছে চলবে। সিনে বাফদের ঘুম ভাঙ্গবে কবে? নবতরঙ্গের বাংলা, সত্যজিৎ-মৃণাল-ঋত্বিকের বাংলা কি ভাবছে? উত্তরটা এখনও স্পষ্ট নয়।
পত্রিকা ও গ্রন্থতালিকা ঃ ১. ‘চিত্রপট’ একাদশ সংখ্যা। ২. ‘প্রমা’ প্রথম বর্ষ, প্রথম সংখ্যা। ৩. ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, ‘ অপ্রকাশিত রাজনৈতিক ইতিহাস ‘,পৃ-২৫৫-৫৬। ৪. khosla, P. 09-23। ৫. List of films banned in India উইকিপিডিয়া। ৬. সেন্সারশিপ অ্যান্ড সিনেমা, সোমেশ্বর ভৌমিক, ওরিয়েন্ট ব্ল্যাক সোয়ান।