সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে অভিজিৎ চৌধুরী (পর্ব – ৬৫)

না মানুষের সংসদ
নন্দ-স্যার স্বগতোক্তির মতন আবার বললেন,
হুলো – মৌলিক অধিকারগুলি বেশ বুঝেছিল এবং মৌলিক কর্তব্যও হৃদয়ঙ্গম করে ।
অনেকদিন পর কথা বলছেন তাই স্বগতোক্তিও বেশ জোরালো হয়ে যাচ্ছে । শুনে ফেললো ইন্দ্র । বলল,
স্যার, না-মানুষদের মস্তিষ্কের ক্ষমতার ওপর বেশি চাপ দিয়ে কি লাভ আছে !
কান্তু বলল,
স্যার আগে প্রার্থীদের মনোনয়নের কাজটা সেরে ফেলতে হবে । তারপর মুক্তধারা মঞ্চে নির্বাচন ।
নন্দ-স্যার বললেন,
সংসদ গঠন করতে হলে তো ভারতবর্ষের যাবতীয় পশু-পাখিদের খবর দিতে হবে । আলাদা নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে ।
পল্টন বলল, খাইছে, নন্দ-মাস্টার তো দ্যাখতাছি পুরা পাগল ।
কান্তু মুখ চেপে ধরল, একটু হলে নন্দ-স্যার শুনে ফেলতো ।
শ্রোত্রিয় বলল,
স্যার অনেক পরিযায়ী পাখি আছে ওরা বিভিন্ন প্রদেশে গিয়ে নির্বাচনের খবর দিতে পারে ।
নন্দ-স্যার চুপ করে আছেন । পুলকিতও হচ্ছেন মনে মনে । সফল হলে দেশ-বিদেশ থেকে ডাক আসবে । তিনি হবেন ভারতের যাবতীয় পশু -পাখিদের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক ।