গ্র্যাফিক্স আর শব্দের জাল বোনার কর্ম ব্যস্ততার ফাঁকে হৃদয়পুঁথির পাতায় জীবনের ধারালো কলমের আঁচড়। রক্ত গড়িয়ে গেলে কবিতারা আসে।
আজব ভ্যাক্সিনের গজব কাহিনী বা আজব কোভিডের গজব ভ্যাক্সিন!
বাজারে এখন “Fogg ” ছাড়া আর যা চলছে তা হলো আসন্ন থার্ড ওয়েভের নতুন “buzz word” ডেল্টা প্লাস মিউট্যান্ট আর বেপরোয়া জনতার লড়াই নিয়ে বিস্তর জল্পনা। পার্সিয়াল লকডাউন উঠে গেলেই খেলা শুরু হবে।
মিউটেশন রাইট্স্ কি এক চেটিয়া করোনা ভাইরাস ই কিনে নিয়েছে!?
ভোটের পর নেতাদের ও মিউটেশন হয়! ভ্যাক্সিন আর বাদ যায় কেন?
চিনের সাথে লিভ-ইন রত WHO
অবিবেচকের মত সময়ে তথ্য প্রকাশ না করায় পৃথিবী জুড়ে মৃত্যু মিছিল, ইকনমি মুখ থুবড়ে।
চট্ জলদি গবেষণা, অপর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে জন্ম নেয়া ভ্যাকসিনের এফিকেসি প্রমীস ও মিউটেশনের মত পাল্টে যাচ্ছে। কখনো ৪ সপ্তাহ, কখনো ৬,করে করে এখন ১২ সপ্তাহে এসে দাঁড়িয়েছে। কুলিন ভ্যাকসিন বলে কথা। মানুষ দ্বিধাদ্বন্দ্বে বিভ্রান্ত।
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভ্যাকসিন আবার বিদেশে ব্রাত্য, নানান প্রোটোকল ও লাল ফিতের ফাঁসে। রপ্তানি বন্ধে দেশবাসী পেয়ে যাবে এই সুযোগে। ঘর এখন ল্যাবের খাঁচায় পরিণত আর জনগন গিনিপিগ।
যদিও জনগন মেনে নিয়েছে এই ভ্যাকসিন, ও কিছু ওষুধের নতুন নতুন ব্যবহার কেবল পরীক্ষা মাত্র, সিলভার বু্লেট এখনো অধরা।
তবে কেকের ওপর চেরী না হলে মানায় কেমন করে! যদিও স্পু্রীয়াস ড্রাগ এর ব্যবসা নতুন কিছু নয়।
অনেক বহুজাতিক কম্পানি ইম্যুনিটির নামে ইচ্ছে মতো ভিটামিন কিছু বানিয়ে যাচ্ছে ; কোভিডে যার কার্যকারিতার প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়।
অন্যদিকে প্যান্ডেমিকের এই সময়ে ভুয়ো ভ্যাকসিনের নোংরা চক্র মানুষকে আরো ভীত সন্ত্রস্ত করে তুলেছে। একেই অপর্যাপ্ত পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্য পরিসেবা নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়েভেই সরকারের নাভিশ্বাস উঠেছে, এই অবস্থায় অথেন্টিক ভ্যাকসিনই দিতে পারে ডাক্তারদের লড়াই করার অতিরিক্ত শক্তি, যাতে আরো কিছু প্রাণ বাঁচে।
ভূয়ো ভ্যাকসিনের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে ও সঠিক টিকাকরণের ব্যবস্থা করে বিশ্বাস ও ভরসা ফিরিয়ে আনতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না এদেশে এখনো পোলিও সচেতনতার জন্য কোটি কোটি টাকা বিজ্ঞাপনে খরচ হয়। এই মূহুর্তে সবার জন্য দরকার করোনার সঠিক ডোজে টিকা ও অন্যান্য আবশ্যক সতর্কতা মেনে জীবনকে নিরাপদ রাখা।