কবিতায় বলরুমে অলিপা বসু

হই না
উত্তেজিত হই না আর
কেন না এ পৃথিবী মৃত
আগুনের ফুলকি গুলো শ্মশানের প্রশংসা কুড়ায়
কুকুরের চিৎকার শোনার সাথে মিশেছে শিয়ালের উপহাস
মানুষ নামের পশু’রা এখনো স্বাধীন ভাবে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক থেকে ক্রমে দীর্ঘশ্বাস
জীবনের স্বপ্ন থেকে বেসামাল কথা বলাদের দেখি কালো কাঁচের আড়ালে,আঁটোসাঁটো সাঁজোয়ায়
রুক্ষ মাঠ;শুখা আবাদী দেখলেই ওরা কর্ষণ করে,অধিক মৃত এরা ভেঙে ফুরিয়ে যায় না, রক্তের প্রবাহে সোনার সিঁড়ি গড়ে তারা অবলীলায়
কে কার পরোয়া করে ! সব অস্তিত্ব উপড়ে গেছেই যখন
তাপ-উত্তাপহীন শীতলতা যেন চূড়ান্ত পরাজয়ের পরেও জিতে যাওয়া
ভেঙেচুরে আমি বানাবো এক নূতন ঈশ্বর,যে শেখাবে গভীর প্রেমের মধ্যেও নির্লিপ্ত হয়ে প্রেমহীনতায় নিমজ্জিত আগুনের উল্লাস দেখতে
কি ভীষণ ভাবে ভয়ঙ্কর স্মৃতি গুলো দু’হাতে সরাতে চাই যে, তাই উত্তেজিত হই না আর
যদি পারতাম শ্মশানের কাদামাটি মাখতে,আমাকে দেখলে ওরা রসিক ভাবতো বেশ ! হয়তো এও মাপতো কাদা মাটিতে জলের পরিমাণ
বরং শ্মশানের শান্তির সমুদ্রে ডুবে থেকে বুঝেছি,বুকের তোলপাড় রক্ত জল হয়ে গেছে
মৃত্যু’র ধোঁয়ায় চারিদিকের অন্ধকারকেও অতলান্ত মনে হয়।