ওঠো বাপু, ওঠো কান্হা
মিছিমিছি ঘুমু যান গোপালঠাকুর
তাল নেবে যশোদা-মা কড়াই-তে ফুট ফুট ভাদ্রদুপুর
ফুট ফুট ভাদ্রদুপুর মানে জন্মের অষ্টমী-আলো
বসুদেব-বুকজুড়ে কী বজ্র চমকালো !
বুকপোড়ে দেবকী মা-র বৃথা কী জগৎ
হা পুত্র, হা ঠাকুর জগত্তারণ !
তালবড়া,তাল ক্ষীর, তাললুচি,তালের তক্তি
গোপালকে এড়িয়ে শেষে রাধিকায় সব’দি
মা কয়েছে আয় বাছা দিবারাতি খেয়ে নে তোরা সখা-সবে
কানাই ঘুমোক আরও, তোরা সব খালিপেট-ভরাপেট ভরা আরও তালকানা রবে
গোপাল অবোধ বালক ক্ষীরতাল খায়না
খাওয়া নিয়ে কান্হুর নেই কোনও বায়না
কানুর অনেক কাজ অধর্ম জাগছে
সহবত শেখাবেন দোষীরা পালাচ্ছে
উচ্ছে সিজিয়ে রাখি বাছা মোর খিদে পেলে খাবে কী !
ভুলে গেছে ননীচুরি নওল-কিশোরবেলা সারাবেলা উড়োঘুড়ি
কাজ আর কাজ আর বিশ্বের রূপ
জ্বালিয়েছে প্রাণের সে অনিঃশেষ ধূপ
তেতোমুখে মিঠেকথা ,কে বলবে ! তুই ছাড়া আর কে , রে ববুয়া,বৌয়া রে, কৃষ্ণেন জী
ঘুমোসনি ! তোর নীলে নীলবাহু মেলে থুয়ে খলখল হাসছিস