|| না সম্পাদকীয় পর্বে || অনিন্দিতা ভট্টাচার্য্য

আমার কাছে সাহিত্য মানেই চারপাশে জমে ওঠে কথাদের ভিড়। একের পর এক ছন্দের মেলবন্ধন, বা কথার পিঠে কথাদের খোশ গল্প। দুজনের পারস্পারিক মিলনে এক অভিনব সৃষ্টির প্রয়াস।
এই প্রয়াস সফল করতেই টেক টাচ টকের কর্মকর্তা ঋষি ভট্টাচার্য এবং সুবীর মন্ডল – এর অনুপ্রেরণা এবং সহযোগিতায় টেক টাচ টক (T3) – এ প্রথম হাতেখড়ি। শুধু যে কর্মকর্তা তা মোটেই নয়, সেই পরিচয় ছাপিয়ে গিয়েও সে আমার দাদা(ঋষি ভট্টাচার্য)।
সময় যত অতিবাহিত হয়েছে, এক থেকে পেয়েছি আরেক গুরুদায়িত্ব। লেখালিখি ছাপিয়েও শিখেছি সম্পাদনার মত কঠিন কাজের সিকিভাগ। বলাবাহুল্য শেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
এরমধ্যেই পরিচয় হয় সোমা দি, শাল্যদানী দা এবং তরঙ্গের সাথে। তরঙ্গের সাথে পরিচয় নতুনত্বের খাতায় থাকলেও, টেক টাচ টকের শিক্ষণীয় যাত্রাপথে সবসময় পাশে পেয়েছি শাল্য দা ও সোমা দি কে।
এবারও ঋষি দা, সোমা দি, এবং শাল্য দার ইচ্ছেতেই T3 তরঙ্গের সম্পাদক মন্ডলীর গুরুভার এ পদার্পন। T3 তরঙ্গের বাকি সকল বয়োজ্যেষ্ঠ সম্পাদকদের সান্নিধ্যে আশাকরি সম্পাদনার সিকিভাগকে যে সিংহভাগে রুপান্তরিত করতে পারবো। আর এই শিক্ষণীয় যাত্রাপথে পাশে চাই সকল প্রবীণ থেকে নবীন প্রজন্মকে।
T3 তরঙ্গ মাসিক প্রিন্টেড পত্রিকা ঠিক তরঙ্গের উচ্ছ্বাসেই উচ্ছ্বসিত হবে সাহিত্য সমুদ্রে। অফুরান শুভকামনা ও ভালোবাসা।