অণুগল্পে রমেশ দে

অস্তিত্ব
ভাঙা দেওয়ালের মাঝে নাম না জানা একটা গাছ জন্ম নিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য প্রখর রোদে জল পায় না। মহীরূহ হয়ে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কারো সহানুভূতি নেই।কেউ তো তাকে তুলে নিয়ে ভালো ভাবে মাটিতে লাগিয়ে দেয় না। তাকে কেটে ফেলার ,ভেঙে দেবার অধিকার আছে। কিন্ত বাঁচানোর অধিকার!আমরা নিজেদের অস্তিত্বকে হারিয়ে ফেলেছি। তাই জন্মগত ভাবে অনাথ মানবশিশুদের, গাছেদের আমরা ছুঁড়ে ফেলে দিতে চাই কোনো এক আস্তাকুঁড়ে। যেখানে “জগত আর জীবনের মাঝে বেঁচে থাকার জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”য়ে তাঁরা হেরে যায়।আর তাই তাঁরা মহীরূহ হয়ে উঠতে পারে না। তখন জগত আর জীবনের মাঝে এক ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হয়ে যায়।আর তাই আমরা “প্রকৃতির সেবা করি স্বার্থের সাথে, পিতামাতার সেবা করি দায়বদ্ধতার সাথে, সন্তানকে লালন পালন করি নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে”। প্রকৃতি আর মানব জাতির অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য আমাদের শয়নে, স্বপনে,জাগরণে আমাদের ভালোবাসার বীজমন্ত্র উচ্চারিত করতে হবে,”দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে যাবে না ফিরে।”
Khub bhalo hoyeche dada