কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল (গুচ্ছ কবিতা)

“ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় ছোঁয়ায় কবিতা গুচ্ছ”

১|
একটা চিঠি তোমার জন্য!
সকল আবেগ অনুভূতি –
যেগুলো তোমার সামনে বলতে পারিনি,
অথচ দেখ,
বলতে চেয়ে হৃদয়ে বুদবুদ বেড়ে যায়!!
আমি থমকে যা-ই!……
অদৃশ্য মানবী তুমি,
রক্ত জবা জোছনা রাতে তুমি,
বাহুবন্ধনী স্নেহের প্রতিশব্দ তুমি,
নির্যাস অক্ষর প্রকাশ তুমি,
তারপর আমিও বলতে পারিনি!!
অসীম সীমান্ত ঘেঁষে বসে আমি,
তবুও বলতে পারিনি,
আমার ছন্দজ্ঞানী মগ্ন তুমি,
তবুও বলতে পারিনি –
তা-ই চিঠি তোমাকে…
অফুরন্ত রূপ-যৌবন মতোই।।

২|
শিহরিত আমি
তোমার নামের আদ্যক্ষরে, “S”
যতটা মসৃণ মায়া
গুচ্ছ ছায়া হ’য়ে বন্দী ফ্রেমে
বাঁধা আমি,
বিন্দু উত্তাপ দেহের
অবকাঠামো নির্মাণ
আবৃত সুন্দর আবক্ষ!
মৃয়মান অদৃশ্য মানবী মায়াকানন,
তুমি আমার সবর্দা
জাগরণ প্রেমকুঞ্জ নামক বালিকা।

৩|
স্পর্শ সারাদিন মগ্ন আমি
তোমার চলবার পথ-
সাজানো আমার হৃদয়ের ঘরে!
প্রত্যেক জ্যেষ্ঠ মধ্যম ঠোঁট
কিংবা আঙুলের চারি –
অথবা চুল কি’বা মৃদু কোমড়ের গোছা,
স্নেহের প্রতিশব্দ খুঁজিয়ে বেড়াই
সুশ্রী তোমার নিতম্ব!
একরাশ নবাগত শিল্প আবৃত
নিশিযাপন – আবেগ অনুভূতি
ছুঁয়ে দেয় পরমানন্দ অনুধ্যানের!
আকাশে বর্ন আঁকে
স্মৃতিকথা প্রামাণ্য চিত্র দিগন্তের
এপাড় তোমার রঙে
রঙ্গিন দুই লাইনের স্তবক!
নগর জলাশয় জীববৈচিত্র্য
লিখি অবিরাম – মধুর অনন্তকাল,
বেঁচে থাকা স্বপ্ন তা-ই আমি আঁকড়ে ধরি
তোমারই অনুগল্প নহর।।

৪|
এক খন্ড চিত্র আঁকো প্রেমের বসন্ত,
যতটা সম্ভব ফুলের পাপড়ির মতো!
সময় ও স্থান চোখের ঝাপসা,
নয়নে কেঁদে উঠে-
ফুলগুলো যখন বেদীতে পড়ে থাকে!
ক্রদন অজস্র ধারা অন্নপূর্ণা স্নাতক…
শুভাশিস হয়।
ফুলের কলি হ’য়ে আকাশে বর্ন আঁকো ;
হস্তে অতুলনীয় মস্ত মালা –
অদ্ভুত কষ্টে কথা ভৌত চিরঞ্জীবী রূপে
প্রকাশ করো।
রঙিন শ্বেতপদ্ম ছুটে চলে
তোমার ঠোঁটের স্মিত হাসি!
মুখে ঠোঁটের স্পর্শ সারা দিনমান
নীলাদ্রি ঝা-চকচকে।
সাদামেঘ-মেঘ বৃষ্টি ভালোবাসো-
ঠিক যেন অশ্রুপূর্ণ আমার আবেগের মতো।।

৫|
জেগে আছি তোমারই অনুগল্প নিয়ে,
কথাগুলো এলোমেলো-
পাপড়িগুলো অপরূপ সৌন্দর্য্যের লীলাময়,
ঋতু এসে বলে দেয়-
মায়াবী সৃষ্টি রুপোলী চাঁদ তুমি –
অপরূপ ভঙিমায়।।

৬|
প্রাণশক্তির প্রেম যৌবন
শিহরণ বয়ে চলে –
নিবেদিত তোমার নিখুঁত বিন্যাসের চোখ,
যেন হরিণের বেষ্টনী উল্কার মতো
হৃদয় টানে ঠোঁটে লালিত লালসার
দৃষ্টি প্রেক্ষাপটে
গাল দুটোও অদৃশ্য মানবী
মায়াকাননের আশ্রয় –
রূপবতী কিশোরী সে নবরত্ন
তুমি।
দূর্বা ঘাসের শিশিরের টুপটাপ
ফোঁটা বৃষ্টির মতো
তোমার শারীর সৌন্দর্যের প্রতীক,
তবু্ও কেড়ে নেয় রূপবতী- কিশোরী মেয়ে
পদ্ম ফুলের কলি হ’য়ে জড়িয়ে ধরে
আনন্দ ছন্দ বশীভূত আমি।।

@ তোমার জন্য লিখবো,
পৃথিবীর সেরা তালিকা:
গদ্য বা পদ্যে – সেটাও
মস্তিকে তুমি বসবাস।
ব্যস্ত ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে ;
সূত্র কিছু পাই না খুঁজে
ব্যস্ত কেন আমি তোমার তরে!
সেই কবেকার ফুল আমি –
তুমি হলে নব্যতা বসন্ত মেলা
একরাশ হাসনাহেনা;
ফুলগুলো যেন – দিব্যি ভ্রমর পিপাসু,
মৌমাছি চারিদিকে ঝকঝকে –
ফুলেতে মধু আহরণ তটে!
আমি না হয়,
চাঁদের আলোয় কটেজ করি-
শিষ্য ও গুরুমহাশয়ে।।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।