কমলা বলছি
ছোট্ট আঙুলগুলো দিয়ে তোমায় আগলাতে চেয়েছিলাম…. মায়েরভাষা!
তোমার গায়ে কুড়ুলের ঘা পড়ছে, শিউরে উঠছে পাতা।
রাত হয়! আকাশের শিশির তোমায় মলম লাগায় ;
আর পাখিগুলো ডানায় আদর মেখে জড়িয়ে ধরে।
তবু যেদিন সারা বরাক জুড়ে কান্না ফুটল…. না প্রতিবাদ ! সেদিন সেই আলোর মিছিলে আমিও বুক টান করে দৌড় দিলাম।
ঘরে মা ডাকছে ‘ওরে ভাত খেয়ে যা ‘
‘সময় নেই ফিরে এসে খাবো ‘
তারপর সেই পোস্টার আর স্লোগানের ভিড়ে আমি টগবগ করে ফুটছি।
মিছিল চলছে যেন কলম নদীতে বান ডেকেছে!
সে কি আনন্দ! আমি ক্রমশ মশাল হয়ে উঠছি।
হঠাৎ একটা আগুনের পেরেক কেউ পুঁতে দিল বুকে।
ওগো আমি যে মুখ থুবড়ে রাস্তায়…. কেমন গরম রক্ত গড়িয়ে চলেছে! তবে কি, তবে কি…!
একি কে এলে আমায় কোলে তুলে নিচ্ছ! তুমিই কি ভাষামা!
আর আমার মরা হ’ল না।
আমি আর আমাদের বুকে করে তুমি দাঁড়িয়ে আছ !
তোমার ছবির সঙ্গে আমরা অমর হয়ে গেলাম “মা ” !