T3 || দোল পূর্ণিমা || সংখ্যায় লিখেছেন জয়ীতা চক্রবর্তী আচার্য

আবির মাখা আকাশ
দীর্ঘ এক বসন্তকালে..
আজ ছুঁয়েছে পারদ, অসহ্যের
প্রৌঢ়া বিকেল..
অথচ কী আশ্চর্য!
তার রচিত চরণ-ধর্ম অবতার
সূর্যাস্তের অন্ধকার আকাশ
মাটি, গাছ, পৃথিবী,
সময় চলে গেছে- আলো।।
অস্বাভাবিক বা স্বাভাবিক নিয়ম নয়,
এখন গোধুলি কুহক..ভাটিয়ালি মন…
শতাব্দী-হারানো পিচপথ
রৌদ্র রঙিন ফুল।।
উৎসবে গোলাপি রঙের রঙিন
সাদা ফ্যাটফেটে রংহীন পৃথিবী।
শাঁখ বাজে , দূরে
তিনরাস্তার মোড়ে.. পূর্ণিমার রাতে
ডানা ঝটকানো পাখি,
গলিপথে মিশবে অবেলার দারিদ্র্য
রং পলাশের,রঙিন হাতে।।
ফাল্গুনী প্রেম
চারিদিকে রং এর বাহার
চওড়া সিঁথির মুখে সাঁকোর সন্ধেরা
নির্জন গৃহসুখে..ঋতুহীন বসন্তে
অস্থির পাখিরা বাঁধে ঘর
শীতের খোলসে চুপসে থাকা কৃষ্ণচূড়া,
রাত ডুবে গেছে ঠোঁটের কিনারে।।
আচমকা কদমফুলের ঘ্রাণ
সম্ভাবনার অসংখ্য দুয়ার…
ও মন যায় আসে কোথা
রঙিন রঙ ছড়িয়ে..
বসন্তের ওই পলাশ বনে,
বিকশিত হয় প্রেম ।।