কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে নিতাই চন্দ্র দাস

নিষ্ফল অপেক্ষা
বন জুড়ে খরা নেই বাদলের ঝরা
বনের মধ্যে খাবার সঙ্কট।
পশুপাখি অন্যত্র ছুটে যদি খাবার জুটে
ঘুরে বেড়ায় সবার নিকট।।
বন থেকে দূরে সবাই দল ধরে
চলে গেছে একেএকে।
বন প্রায় শূন্য নেই আর অন্য
একটি বানর ব্যতীরেকে।।
বনের এক কোণে বসে আপন মনে
সুদূরে চেয়ে কাটে বেলা।
বারেবারে পিছন চায় মনে মনে খুঁজে বেড়ায়
তার নেই কোন হেলা।।
এই ভাবে কাটছে দিন শরীর হয়েছে ক্ষীণ
তবু নাহি ছাড়ে আশা।
যদি হয় বাসনা পূর্ণ জীবনটা হবে ধন্য
এইটাই তার প্রত্যাশা।।
অন্য বানর বলে এসে তুমি কেন ডালে বসে
বনেরতো সবাই গেছে চলে।
কোন আশায় আছ বসে কেহ নাই আশেপাশে
চলো যাই অন্য বনাঞ্চলে।।
বানরটি বলে হেসে অযথা নেই বসে
নিশ্চয়ই আছে কারণ।
অন্যত্র যাব চলে প্রেয়সী ফিরে এলে
হইলে মনের আশা পূরণ।।
একদিন মা ও মেয়ে যাচ্ছিল এই পথ বেয়ে
দুজনে কলহ করে।
মেয়েটি বলে মাকে অপছন্দ ওই ছেলেকে
দিওনা বিয়ে মোরে।।
যদি দিতে চাও বিয়ে এই বনে এসে ধেয়ে
দিব মালা ওই বানরের গলে।
সেইদিন থেকে আছি বসে কাটছে দিন উপবাসে
এই নির্জন গভীর জঙ্গলে।।