T3 || ঘুড়ি || সংখ্যায় রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়

উড়ানতলে
রাজসিক আকাশের গায়ে সুন্দরী চিহ্নের মত মেঘেরা
রোদ্দুর ছুঁয়ে দেয় আলতো আঙুলে
ডানাহীন উড়ানে ঘুড়ি হতে ইচ্ছে করে
সুতোয় সুতোয় প্যাঁচ লেগে আলগা হয়ে যাব আর ফিরব না
দূরে কোন ছাদে ভিজে শাড়ি শুকোতে দিতে আসা বউটি
আমাকে পেয়ে কিশোরীর মত উল্লাসে ডগমগ হবে
ফোনে জানাবে – এই জানো তো, আজ ছাদে একটা ঘুড়ি এসে পড়েছে
ওপ্রান্তে হাসির শব্দ বলে – রেখে দাও, আজ রাতে ওড়াতে শেখাবো!
ধ্যাৎ!
আমার সারা গায়ে একটা শিহরণ খেলে যায়
পরদিন ছোট্ট লালনকে ঘুড়িটি দেওয়ার সময় ওর চোখেও অচিন আলোর বান ডাকে
আমি এত দামী! আমাকে পাওয়ার এত সুখ!
আমার পাখি হতে ইচ্ছে করেনা।