কবিতায় স্বর্ণযুগে দেবারতি গুহ সামন্ত

পারবো না
আমি পারব না…..
আবেগের বুদ্বুদে ভেসে বেড়ানো রামধনু,
ছোট্ট ছোঁয়ায় ভেঙে দিতে আমি পারব না।
ভোরের পাখির কলকাকলি থেকে,
মিউজিক কম্পোজ করতে আমি পারব না।
গন্ধরাজ লেবুর রস চিপতে চিপতে,
গন্ধটা চুরি করতে আমি পারব না।
হাত দিয়ে খাওয়ার অভ্যেস ছেড়ে,
কাঁটা চামচে খেতে আমি পারব না।
না না না
কিছুতেই পারব না!
কিন্তু যেটা পারব সেটা হলো…
নিজেকে মনের মতো করে সাজিয়ে,
ছোট্ট করে সেলফি ক্যামেরায় ক্লিক খিচিক।।
পুরোটাই অভিনয়
মেগা থেকে মাইক্রো
মাইক্রো থেকে মিনি
মিনি থেকে সুপারমিনি
তারপর জাস্ট ভ্যানিশ!
ভাবছেন তো বস্তুটা কি?
আরে বাবা….
বহুলচর্চিত সম্পর্ক।
গুটি গুটি পায়ে দানা বাঁধা ভালোবাসা,
মিহিদানায় শুরু,গুলাব জামুনে শেষ।
পুরো জমে ক্ষীর হব হব,দুধটা ছানা কেটে গেলো গো..
যাহ!এবার কি হবে?
অনেকটা দূরের রাস্তা,স্মুথ নয়,এবড়োখেবড়ো,
বড়ো বড়ো গর্তে পাতা আছে রঙিন ফাঁদ।
মরিচীকার পেছনে ছুটলেই রাতে দুঃস্বপ্ন,M
ভরসায় ভরা দুহাত ধরতে গিয়েও দেয় না ধরা।
হায় হায় করে আর কি হবে!
অন্ধ হয়ে পা বাড়ালেই মৃত্যুর হাতছানি।
হু হু বাবা,এ তো নয় চোখের ছানি,
যা কেটে বাদ দিয়ে দিলেই চুকে যায় ল্যাটা।
এ হলো মন্দবাসার বিপরীত!
আমি বাবা অত ঝামেলায় নেই,
যাই গিয়ে,ল্যাটা মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে একটু ঘুমাই,
একটু পরেই মেগাসিরিয়ালে,
মিনি স্কার্টের সঙ্গে রাগী বসের..
মাখো মাখো প্রেমলীলা শুরু হবে যে!
আপনাদেরও দেখার নিমন্ত্রণ রইল..
সবান্ধবে আসুন আসুন আসুন।।