কবিতায় শুভদীপ মাইতি

আঁশজলে ভিজে গেলে
বৃক্ষতলে শুয়ে আছে প্রৌঢ় মূক ছায়া। মায়া কেটে কেটে শরীর চলে গেছে অন্যত্র
ছায়া চিরে ফুটে ওঠে বংশজ মোহ, কুমড়ো ফুলের মতো। ওপরে ধূমযোনি গাঢ় হয়ে আসে
স্নানপর্বের তর্পণে গোপনে ভেসে যায় আস্ত হৃৎপিণ্ড। শান্তিজল রাখা থাকে পাশে
আঁশজলে ভিজে গেলে ইঁদুর-মাটি, আমি প্লাবন সংক্রান্ত উপশম লিখে রাখি দেওয়ালের পিঠে।
অনর্থক গিঁট খুলে মচকাতে মচকাতে স্থান বদল করছি আমরা
আকাশমনির শরীর বেয়ে চাঁদের আরও কাছাকাছি এগিয়ে যাচ্ছে জেদি পিঁপড়েরা
আমি ঘরময় শব্দ সাজাই। চুপ করে ডুবে থাকি গিমা শাকের ক্ষেতে
অলস শ্রাবণের রোদে আমাদের খিদেরা জেগে উঠলেই
ভাত, ডাল, নুন, তরকারি উচ্ছ্বাস করতে করতে হেঁটে যাচ্ছে উল্লাসনগর।