কবিতায় শান্তনু প্রধান

ভৌতিক আঁধার

একটি পাথরের দিকে
কেন যে তাকিয়ে থাকতে বাধ্য হই
সেই পাথর ও সভ্যতার দূরত্বে নির্মাণ হয়েছে যে ফাটল
তুমি কি জানো
সেখানেই আটকে আছে
কাদের নামংকিত ডুগডুগি
তুমি তার বান্ধব হতে চেয়ে
কেন যে ছুঁড়ে দিলে ধূসর মনস্তাপ
সবটাই কি তবে ঝলসে যাওয়া পোশাকের অক্ষমতা

ঠিকানা থেকে নক্ষত্ররাও যেbযার মত সরে যাচ্ছে
শরীর ব্যথা জেনেও
এই অন্তর্হিত দূরত্ব পারবে কি আরো বেশী কি রঙিন হতে
নাকি আমাদের ভ্রমণ বিষাদ বংশোদ্ভূত
মৌসুমী ইঙ্গিত
সেদিনই শুধু ডুবেছিল জ্যোৎস্না

স্নানঘর থেকে বেরিয়ে দেখি
ত্রিভুজ আকৃতির একটি পাথর
তার এক কোনে অশ্রু ছাড়িয়ে
বসে আছে
আমাদের সংসার
আরেক কোণে ভৌতিক আঁধার
হামাগুড়ি দিতে দিতে এগিয়ে যাচ্ছে
মহাসমুদ্রের নাভি তটে
তুমি কি ভাবছো দীপিকা
বিশ্বমিত্র কি জানতেন না
আমি ঠিক কতখানি মাংসভূক

আসল কথাটি হল
পাথরটি কেন যে নেমে এসেছিল
তা আমরা কেউ জানি না
শুধু একটি ব্যাকরণগত সিগন্যালের অপেক্ষায়
মিথ্যে অন্বেষণ করে চলেছি অভিযোজন তত্ত্ব
কে বুঝবে সেই ভগ্নাংশে অতএব অন্তর্বাস।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।