গদ্য কবিতায় আশরাফুল মণ্ডল

দাগ
পাপোশ সরিয়ে দিলেও হামেশা ঢেউ খেলে পায়ের দাগ! সে সব দাগের গা ঘেঁষে মজে যাওয়া নদীটির মতো নতমুখে বলিরেখা। চলাফেরা গড়ে দ্যায় দেহ, বেঁচে থাকা অন্তর্গত রূপকথা, জন্মঋণ খুঁজি
ছোটাছুটি শ্রমসাধ্য ভেবে গুটিয়ে রেখেছ নাগাড়ে পা ফেলার তাগিদ। কী করে যে সতর্ক থাকি পাপোশ আর দাগের সুদীর্ঘ চলা! পিপাসার সাধ আছে,সাধ্য হোক ওড়াওড়ি, অনিঃশেষ বেলা
যে বিপন্ন ভ্রমণবীথি অবসন্নতা ছড়ায় তাকে দিও চিৎ-সাঁতারের সড়ক। ফিরে দেখা দুর্বোধ্য কী তেমন, হতোদ্যম আয়ুদাগ ! যত বেহাল পদাতিক চিহ্ন জখম আঁকা, তাদেরও দিও তবে নিখুঁত সেলাই