প্রবাসী ছন্দে বিপুল বিহারী হালদার (রোম, ইতালী)

ভাজ্ঞের রথ
নামাবলী গায়ে দিয়েই কাছিম ধরার ভদ্রবেশী ভন্ডরা
বহু নারী,বাড়ি,গাড়ি ভোগবিলাসেই ছিলে আত্মহারা!
নামাবলী খুলে পেটে এখন বেলচা মারলে জয় জয়
হুড়মুড়ে পড়ছে,টাকা-সোনা ভরছে ই,ডি-র কনভয়!
কোন সেক্টর বাকি আছে ভেবে বলুন সবাই
ডালপালা ছড়িয়েছে অরণ্যে কেউ বাদ নাই।
লোক দেখানো ধরপাকড়,মূর্খই বানাচ্ছে সব
কবি,সাহিত্যিক,বুদ্ধিজীবি সবাই এখন নীরব!
বড় বড় মাথা গুলো বেঁচে যাবে দেখবেন ঠিক
চুনোপুটিরা ব্যস্ত বাঁচাতেই চুলকানির নষ্ট পিঠ।
খাবি খাচ্ছে মাথা গুঁজবে কোন ঝান্ডার তলে
দলভারী বুঝেই ঝাঁপদেবে শতেক দলে-দলে।
যা আছে তা যেমন তেমন তবু টিপ্ টিপ্ জ্বলে
লাল পলাশে,হাল ফিরবে তাইতো লোকে বলে।
বর্ণ বিদ্বেষী না সত্যি বিদ্বেষহীন ওই যে শতদল
দ্বন্দ্ব দশার ধন্ধেই জনতা গুনছেই ভাজ্ঞের ফল।
মানুষের এমন চাওয়া,শুধু যেদিক বইছে হাওয়া
বোধবুদ্ধি হারিয়ে ছুটছে করছেনা কোন পরোয়া।
হাওয়া থামার পরে সেই হাওয়াই যখন নিচ্ছে গিলে
হিরিকে পরে বুদ্ধিভ্রষ্টে অতীতের সুখটা গেল ভুলে!
এখনও কি মতিগতি জনতার হয়েছেন একটু ঠিক
দান দক্ষিণা পেয়েই মাথাটাই গুলে হচ্ছে দিগ্বিদিক।
ক্ষণিকের ভিক্ষায় সন্তানদের পুড়বেই ভাজ্ঞের রথ।
শিক্ষা,শিল্পে উন্নতির ভোটে এ দেশে কে ই বা নেবে শপথ।।