কবিতায় অরুণ চক্রবর্তী

বাঁদরবৃত্তান্ত
একটা বাঁদর গাছের ডালে,একটা বাঁদর মাটিতে
যেতে কাছে হয়না সাহস,কবজা করে চাটিতে
আশপাশে আরও আছে এধার ওধার লুকিয়ে
বাঁদরজ্বালায় ভীত সবাই,থাকে মুখ শুকিয়ে।
রমেনবাবু বলেন,’আগেও তো ছিল বহু গাছ
বেশ সুখেই ছিলাম সবাই দেখিনি তো বাঁদরনাচ
কোথা থেকে এলো এরা, ব্যাপারটা বেশ ভাবার
সুযোগ পেলেই ছো মেরে কেড়ে নিচ্ছে খাবার।’
এখন ওদের বাড়ছে দাপট করছে সব গ্রাস
ওদের জ্বালায় সবার মনে পাড়ায় ভীষণ ত্রাস
সামনেই একটা স্কুল আছে,অনেক ছাত্র পড়ে
স্কুলে যেতে ভীষণ ভয়,থাকে সিটিয়ে ঘরে।
বিকেলবেলায় বাঁদরগুলো দল বেধে নাচে
মানুষ দেখলে সাথে সাথে মুখ খিচিয়ে হাঁচে
বড্ড জ্বালায় অতিষ্ঠ এখন গ্রামের মানুষ সব
কেমন করে করবে বন্ধ তাদের কলরব?
অমাবস্যার রাতে তারা নিশিবাবুকে ডাকেন
বাঁদর বিশেষজ্ঞ তিনি বেশ হনুমানতলায় থাকেন
তাড়িয়ে দেবেন তাদের তিনি করে বেশ আদর
বলেন ,’আমরা যেন না হই কেউ ছদ্মবেশী বাঁদর।”