কবিতায় অরুণ চক্রবর্তী

বিদায়বিদ্ধ
বিদায়ের কথাগুলো নিয়ত তীর হয়ে বুকে বিদ্ধ করে
এ পাড়ার ক্ষুধা ও পাড়ায় গিয়ে চুপচাপ লুকোচুরি খেলে
নিত্য সহ্যের চোখ ফাঁকি দিয়ে আর কতকাল চিল হয়ে উড়তে হবে বুঝতে পারছি না
এবারের বসন্ত এখন অর্ধাংশে বসে হিসেব করছে বাকিটার
আগে যারা এসেছিল তাদেরও প্রত্যেকের হাতে ছিল বেলপাতা,তুলসি আর জবার অসহায় সহনবোধ
তবুও ছিল গাঢ় দৃষ্টিপাত-
অস্বভাবোচিত সম্বোধনের ধারাপাত থেকে বিচ্ছিন্ন নামতা শুনতে হয়নি
পরিযায়ী পাখিদের সমবেত ডানা ঝাপ্টানো যে কথার ইঙ্গিত দেয় মনে রাখা জরুরি
আরও জরুরি পিঠ কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে মধ্যবর্ষার ব্জ্রপাতে তা নিরীক্ষণ করা
ভাবের শূন্যতায় ভাসে যে নীরব ব্যথা আর কান্না তার মাত্রা বুঝতে অপেক্ষার চাদর খুলে বেরিয়ে আসতে হয় প্রকাশ্যে–
বিদায় তো সময়ের একটা পর্যায়
মানতে নারাজ আজকের চিত্রপট
তাই শব্দটা নিয়ত তীর হয়ে বেরিয়ে আসে ধনুক থেকে
বিদ্ধ করে বুকের গভীরে।