কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে রবীন জাকারিয়া

মৃত্যুপুরী
আজ আমি চলে যাচ্ছি—
বড্ড ঘুমোট আর খাঁচায় আবদ্ধ
জীব মনে হয় নিজেকে!
এখানে ভরা জ্যোৎস্নার আলো পাল্লা দিতে পারেনা তীব্র বাহারী আলোর সাথে,
রঙধনু এখানে পুরোপুরি বিকশিত হতে পারেনা
ছোট্ট আকাশে,
বৃষ্টির সুর ঝংকার শোনার মানুষ নেই এখানে৷
বিত্ত বৈভবে গড়ে উঠেছে বিলাশবহুল
ছোট ছোট শহর, একই শহরে৷
ডিজে পার্টির কর্কশ সুর আর সুরা পানে মত্ত
নর-নারীর যুগল নৃত্য আর কোলাহলে মুখর৷
পাশের ফ্ল্যাটে প্রবাসী সন্তানের নিঃসঙ্গ
বৃদ্ধ মায়ের মৃতদেহ পরে থাকে
আঞ্জুমানে মফিদুলের দায়ভারে৷
এখানে মানুষে মানুষে সম্পর্ক হয় ক্ষমতায়,
টাকা কিংবা পদবীতে৷
স্থাপত্য শৈলীর নামে প্রত্যেকে বাড়ি নয়
নির্মান করেছে
একেকটি কয়েদখানা,
যা গুয়েন্তেনামা কারাগারের চেয়েও ভয়ংকর৷
আমিতো অপরাধী নই!
আমি কারাগারে থাকতে চাইনা কখনো৷
অপরুপ এই বিশাল পৃথিবী দেখে যেতে চাই
আমৃত্যু, মুক্ত পাখির মত৷
তাই বিবর্ণ, মেকি এই মৃত্যুপুরী থেকে
পালাতে চাই আজ, এখনই৷