কৌতুক রচনায় দেবাশীষ মণ্ডল (কৌতুক গুচ্ছ)

১)ব্যবহারই আপনার পরিচয়!
আঃ হাঃ তাই নাকি !বলি আপনি তো বেশ সুযোগ সন্ধানী মানুষ বাবু।বলছি ব্যবহার না করে কি পরিচয় পাওয়া যায় না।বলছি আমরা কি ঘড়ি ডিটারজেন্ট পাউডার নাকি হে ?আগে ব্যবহার করবেন তারপর বিশ্বাস করবেন!
২)কুকুরের কাজ কুকরে করেছে কামড় বসিয়েছে পায়। তাই বলে আপনি কুকুর কে কামড়াতে যাবেন?
না তা শোভা না পেলেও ।অবশ্যই হসপিটালে গিয়ে কুকুর কামড়ানো টিকা গুলি নিয়ে আসবেন। জলাতঙ্ক রোগ থেকে বাঁচতে।জল দান জীবন দান হলেও জলাতঙ্ক কিন্তু জীবন কেড়ে নিতে পারে।
৩)যেমন কুকুর তেমন মুগুর!
দেখবেন মুগুর ছাপ অজান্তা চপ্পলেই কাজটি অনেকেই সেরে নিচ্ছে।
৪)টাকা মাটি;মাটি টাকা।
মাপ করেবেন! রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব বেঁচে থাকলে বোধহয় আজ বলতেন —“সব টাকা ইডির;ইডির হাতেই সব টাকা”।
৫)যেখানে দেখিবে ছাই! উড়াইয়া দেখিও তাই পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন।
ছাই উড়ে যে আমাদের জমি সব ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে বাপধন।বলি চানটা কোথায় হবে বলতে পারেন?
৬) মারবো এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে।
বলছি লাশ তো শ্মশানেই পাওয়া যায় গুরু।এটা নুতন করে বলে দেওয়ার কিছু নেই। দাহ করতে তো শ্মশানেই নিয়ে যাবে।খামোকা গুন্ডামি করে লোককে মারার দরকার কি বাপু।
৭) লবন জলে করোনা মরে।
লবন জলে যদি করোনা মরে। তবে এত কোভিশিল্ড,কোভেকসিন দেওয়ার দরকার কি ছিল বাপু।সকলকে না হয় লবন জলে ডুবিয়ে দিলেই তো সব ল্যাঠা চুকে যেত।
৮)গরুর দুধে নাকি সোনা আছে!
তাই নাকি তবে এত জুয়েলারি যাবার দরকার কি। শুধু গরুর দুধ দুয়ো আর সোনা বেরোবে। গোটা কতক গরু পুষলেই তো হয়।এত পঞ্চাশ হাজার টাকা ভরি দিয়ে সোনা কেনার দরকার আছে কি!
৯)দেখবেন ভাই একদিন অবশ্যই গান বেরোবে—-
আমার কাছে নাইকো বুবু পাকা বৌ, আমার কাছে আছে বুবু কা-চা বৌ।
১০)
রনে বনে জলে জঙ্গলে যেখানে বিপদে পড়বেন আমাকে ডাকবেন হ্যা আমি অবশ্যই বাঁশ হাতে হাজির থাকব বাকি বিপদটা যাতে সহজেই ঘটানো যায় ।
…..
শুধুমাত্র কৌতুক করার জন্যই এই রচনা।অযথা কৌতুহল বশে কৌতুক নষ্ট করবেন না ।