অথ শ্রী উপন্যাস কথায় আরণ্যক বসু (পর্ব – ১১)

শালজঙ্গলে বারোমাস ছয়ঋতু

যা কিছু ছিল অথবা আছে
না ফোটা কুঁড়ির পলাশ গাছে
বনদেবতা গো তোমাকে দিলাম
বদলে জানিনা ,কত যে নিলাম…

অনেক প্রশ্ন উথালপাথাল ঢেউয়ের মতো উন্মনার মনে খেলা করছিল। কিন্তু বেচারা এগোবে কোথায় ? বুফের আয়োজন থেকে সামান্য কিছু প্লেটে নিয়ে হাঁ করে দেখতে লাগলো। একটা মানুষকে নিয়ে তরুণ কবিদের কী আন্তরিক উচ্ছ্বাস! কত তাদের অনুসন্ধিৎসা, কত জিগীষা! উন্মনার মনে হলো — আচ্ছা কবিতার মধ্যে এমন মহাসমুদ্র লুকিয়ে আছে ? আর মহাসমুদ্র মনে হতেই তার বিশ্বকবির কথা মনে পড়ে গেলো। লাইব্রেরী নিয়ে সেই অসামান্য উক্তি। কোট আনকোট না হলেও অনেকটাই হয়তো এরকম — মহাসমুদ্রের শতবৎসরের কল্লোল যদি এমন করিয়া ধরিয়া রাখা যাইত,যাহাতে সে বাধ্য শিশুটির ন্যায় চুপ করিয়া থাকিত,তাহা হইলে তাহার সহিত লাইব্রেরীর তুলনা করা যাইত। অমলেন্দু মানুষটাকে দেখে উন্মনার তাই মনে হলো।জ্ঞানের ভান্ডার অথচ শান্ত সমুদ্র। স্টেজ থেকে নেমে কী অনায়াসে সিগারেট দেশলাই বিড়ির প্যাকেট ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দিলো। এমন শিক্ষিত, দীক্ষিত ও গভীরতার মানুষ শুধু যে একজন নারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে কাজটা করলো, এমন নিশ্চয়ই নয়। উন্মনার মনের আকাশে একসময় যেন শ্রাবণের মেঘ ঘনিয়ে এলো। একজন মানুষ হিসেবে আজ যে সম্মান পেলো,তার ফেলে আসা সংসারে সেই সম্মান কি প্রাপ্য ছিল না ? তার ঘরের মানুষটা তো তাকে সেভাবে আবিষ্কারই করতে পারলোনা। আচ্ছা , কেন এসব কথা ভাবছে উন্মনা ? আজ তো তার খুশি হওয়ার দিন। তার– আজ আমাদের ছুটি ও ভাই ,আজ আমাদের ছুটি… হওয়ার দিন। আজ তো তার– তোমার কাছে এ বর মাগি ,মরণ‌ হতে যেন জাগি..র দিন। তবু আজ তার স্বামীকেই সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে।দুজনে একসঙ্গে যদি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারতো ! কি যে ভালো হতো ! তার ঝকঝকে সপ্রতিভ স্বামীকে তো সে এখনও ভীষণ ভালোবাসে। ইগোর বেড়া ভেঙে ফেলে এখনও তো রূপে না ভুলিয়ে ,গান দিয়ে দুয়ার খোলানো যেতেই পারে। ওর মনে হলো– অমলেন্দুর ব্যক্তিত্ব শুধু নয়, এখানকার প্রতিটি ধুলিকণা, প্রতিটি ধুতি, শাড়ি , চুড়িদার, প্যান্ট , শার্টে আজ জীবন খুঁজে পাবি উচ্ছ্বাস — উন্মনার কাছে এই দিনটাকে অন্তত কবিতার মতো সুন্দর করে তুলেছে‌।এই দিনটা তাকে ভাবতে বাধ্য করাচ্ছে যে , স্বামীর কথা মনে পড়লে , আজও তার — দিবস রজনী আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি….
আজও তার মনে হেমন্তের হিল্লোল — আমার প্রিয়া লজ্জা পেতে পারে,আহা কাছে এসেও চলে যেতে পারে ,ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলোনা….
মেয়েকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়বার আগে ,প্রতি রাতে উন্মনার মনে হয় , একটা টর্চের আলো , আর বাইরের গেট খোলার শান্ত আওয়াজ ,ওকে ডেকে দিয়ে গেয়ে উঠবে–চিনিতে পারিনি বঁধু, তোমারই এ আঙিনা…
তাই দেরি হল যে , দেরি হল যে তোমার কাছে আসিতে, সখা তোমার কাছে আসিতে।
হঠাৎ এক ঝটকায় একটা চাপা রাগ উন্মনাকে বিপর্যস্ত করে দিলো। মাত্র তিন চার ঘন্টা আগেও একটা বিড়িখোর লোক, শুধু কথাকে রূপকথা করে দিয়ে ,ওর মিয়োনো মুড়ির মতো নেতানো জীবনটাকে উত্তাল ঢেউয়ের মতো জীবনমুখী করে দিলো ! হোলি হ্যায় বলে ওঠা দোল পূর্ণিমার আকাশ ভাসানো চাঁদ করে দিলো ! আশ্চর্য !
‌ গরম বেগুনী কখন ঠান্ডা হয়ে গেছে , উন্মনা জানেনা। তবু তরুণ কবিদের ভিড় ঠেলে অমলেন্দুর মুখোমুখি দাঁড়ালো সে । কবিদের প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে , কৌতুহল মেটাতে মেটাতে বেচারা অমলেন্দু নিজের খাবারের প্লেটে আঙুলও ছোঁয়াতে পারেনি এখনও। উন্মনা ওর স্বাভাবিক নম্রতায় প্রশ্ন করলো–আচ্ছা স্যার , কবিতা আমাদের পড়তেই হবে একথা জানি, কিন্তু কবিতা আমাদের বলতেই হবে এমন মাথার দিব্যি কে দিয়েছে ? নিজেকে সামলে নিয়ে অমলেন্দু খুব ধীরে ধীরে জবাব দিলো — না না ,সত্যিই এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। তবু , গান-নাটক-কবিতা সবটাই তো প্রয়োগ শিল্প ; তাই বলার মধ্যে অন্য একটা মাধুর্য থাকে।গান লেখা হয় গাইবার জন্য ,নাটক লেখা হয় মঞ্চস্থ করবার জন্য ,আর কবিতা লেখা হয় দুটো কারণে — -নিভৃতপাঠ এবং মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য।যেমন ধরুন, রবীন্দ্রনাথের ক্ষণিকা কাব্যগ্রন্থের দুটি কবিতা — বিলম্বিত এবং নববর্ষা। লক্ষ্য করুন, বিলম্বিত কবিতা আপনি নিজের মনে পড়তে পারবেন। যেমন ধরুন — অনেক হল দেরি, আজও তবু দীর্ঘ পথের অন্ত নাহি হেরি….
ওই একই কাব্যগ্রন্থের কবিতা নববর্ষা যখন আপনি পড়ছেন, যেমন ধরুন ওই লাইনটা–
বন্ধু মেঘলা আর কবি প্রলয় খাবারের প্লেট নিয়ে এগিয়ে এসেছিলো সমবেত সবাইকে তাড়াতাড়ি খাওয়ার পর্ব শেষ করবার অনুরোধ নিয়ে। তার নয়তো দ্বিতীয় পর্ব শুরু করতে দেরি হয়ে যাবে । হঠাৎ নববর্ষা কবিতার কথা কানে যেতেই হাতের প্লেট নামিয়ে রেখে ,এঁটো হাতেই নীল শাড়ির আঁচলটা কোমরে গুঁজে নিয়ে ,দুহাত তুলে বলে উঠলো–শত বরণের ভাব উচ্ছ্বাস,কলাপের মতো করিছে বিকাশ , আকুল পরাণ আকাশে চাহিয়া উল্লাসে কারে যাচে রে…
এবার যেন সমবেত কবিদলের মধ্যেও হিল্লোল উথলে উঠলো—
হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে ময়ূরের মতো‌ নাচে রে , হৃদয় নাচে রে। এবার অমলেন্দু আনন্দে চেঁচিয়ে উঠলো–ঠিক এই কারণেই নীরব পাঠের কবিতাও কখনো প্রয়োগ শিল্প হয়ে ওঠে। অবাক ও হতবাক উন্মনা অমলেন্দুর মুখের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো — আমার জবাব আমি পেয়ে গেছি স্যার। বোধহয় তখনই কবিতা বইয়ের পাতা থেকে একঝাঁক টিয়া হয়ে উড়ে যায় দিগন্তের দিকে! বোধহয় তখনই সেই সবুজ সজীব কলরবকে আবৃত্তি শিল্প বলে ,তাই না ? অমলেন্দু নিঃশব্দে মাথা নেড়ে দরাজ গলায় বলে ওঠে–
ওগো প্রাসাদের শিখরে আজিকে কে দিয়েছে কেশ এলায়ে,কবরী এলায়ে…ওগো নবঘন নীল বাসখানি বুকের উপরে কে লয়েছে টানি ,তড়িৎ শিখার চকিত আলোকে ওগো কে ফিরিছে খেলায়ে…ওগো প্রাসাদের শিখরে আজিকে কে দিয়েছে কেশ এলায়ে…
অমলেন্দুর আবৃত্তির মধ্যে উন্মনা অবাক হয়ে ভাবছিল– আচ্ছা, পৃথিবীতে একজন কবিতার উন্মুখ ছাত্র বা ছাত্রীর সঙ্গে একজন গভীরতম কবিতাবোধের শিক্ষকের দেখা হতে এত সময় বয়ে যায় কেন ? এই মানুষটির শিক্ষণ যদি সে স্কুল জীবনে পেত ?
তাহলে তো রবীন্দ্র, নজরুল, সুকান্ত, জীবনানন্দ পড়ে, তার মেয়েবেলার অন্তরে যে গভীরতম বোধের জন্ম হয়েছিলো, সেই অনুভব হয়তো আরও অন্তরতম হয়ে উঠতো! বিশেষ করে তার প্রিয়তম কবি সুকান্তর বিস্মৃতিবিহীন কবিতাগুলো– ছাড়পত্র,বোধন,প্রিয়তমাসু,রানার, চিরদিনের, ঠিকানা… কবিতাগুলো তো ওকে রাতের পর রাত জাগিয়ে রাখতো।দুবার তিনবার পড়লেই তো মুখস্থ হয়ে যেত। তখন এই শিক্ষক কোথায় ছিলেন ? কোন প্রদীপ্ত আলোর দেশে তিনি লুকিয়ে ছিলেন ? শালজঙ্গলের ছয় ঋতু বারোমাসের ছায়াঢাকা অন্তরের মধ্যে ? আজ কোথা থেকে এত আলো এসে পড়লো ? প্রচারবিমুখ এই মানুষটিকেও এক ঝটকায় হৃদয়নন্দনবনের আনন্দ নিকেতনে এনে ফেললেন ,শার্লক হোমস বা ব্যোমকেশ বক্সির মতো কোন্ জাদুকর গোয়েন্দা ? না না গোয়েন্দা না তো , এর পুরো কৃতিত্ব মেঘলাদির । অমলেন্দু স্যারের হয়ে ওঠা তো ওদের দামাল দল আমেদিবিনার হাতেই ।
আসলে , এইসব কথা উন্মনার দুটো চোখ বলছিল।দুটো ওষ্ঠের কোনো ভগ্নাংশের কম্পনও সেখানে ছিল না।মেঘলা ও প্রলয়ের বকুনি খেয়ে সবাই খুব তাড়াতাড়ি খাওয়ার পর্ব সারলো। এই বকুনিটা খুব জরুরী ছিল। হঠাৎ উন্মনার মনে হল,ওর মনের মধ্যে অমলেন্দু স্যার যেন একটু ওভাররেটেড হয়ে যাচ্ছেন। নিজের মেধা ও মনন দিয়ে উন্মনা অনুভব করলো, মাছের মাথা দিয়ে মাখা ডাল আর ঠান্ডা বেগুনীরও একটা অন্যরকম স্বাদ আছে। সেই স্বাদটা পেতে জানতে হয়, নাহলে পিছিয়ে পড়তে হয়। এই দুনিয়ায় মানিয়ে নিতে জানলে ন্যাতানো মুড়ি আর ঠান্ডা আলুর চপকেও মাঝে মাঝে অমৃত মনে হয় ; যখন আলোর পৃথিবীতে ভালোর পৃথিবীতে উৎসুক অনভিজ্ঞ এবং স্নেহশীল অভিজ্ঞর রাজজোটক মেলবন্ধন ঘটে। শেষ পাতের চাটনি আর নতুন গুড়ের রসগোল্লা ও সন্দেশ সত্যিই অপূর্ব ছিল। একেবারে যাকে বলে , একশোয় একশো পনেরো।
হাত ধুয়ে টিস্যু পেপার দিয়ে জল মুছতে না মুছতেই মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ানোর ডাক এলো উন্মনার।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কবি সম্মেলন। কবিতার কত যে টুকরো লাইন ,হিরেকুচি শব্দের ঝিলিক, স্বপ্ন, বাস্তব ও পরাবাস্তবতার কত যে দিগন্ত –মেঘলা,উন্মনা,শুভব্রত,প্রলয়দের খাতার পাতায় জমা হল,তার হিসেব কে রাখবে ! প্রিয় কবি প্রলয় শত ব্যস্ততার মধ্যেও শোনালো গ্রাম্য একটি শ্মশান ও মানুষের জীবন নিয়ে এক আশ্চর্য বোধের কবিতা। শুভব্রত শোনালো ওর প্রিয় কবি বিনয় মজুমদারকে নিয়ে ওর নিজস্ব অনুভবের গদ্য কবিতা । মেঘলা শোনালো জীবনানন্দের — আট বছর আগের এক দিন। অসাধারণ সেই পরিবেশনা। জঙ্গলমহলের ডাক্তারবাবু নজরুলের আমার কৈফিয়ৎ শুনিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে দিলো। জঙ্গলমহলের একজন সুপরিচিত হেডমাস্টারমশাইও মাইক্রোফোনের সামনে ছোট্ট বক্তব্যের শেষে দু’কলি মান্না দে শুনিয়ে গেলেন–পৌষের কাছাকাছি রোদ মাখা সেই দিন , ফিরে আর আসবে কি কখনও…
গান শেষ করে , সুরসিক হেডমাস্টারমশাই শোনালেন সেই বিখ্যাত উক্তি —Time marches on memories stays torchering silently the rest of our days. শুনেই অমলেন্দু স্যার বলে উঠলেন এই কবিতার বাংলা অনুবাদটি–সময় চলিয়া যায়, স্মৃতি শুধু রয়, বেদনায় বিমোথিত করিতে হৃদয়…
সবাই হৈ হৈ করে হাততালি দিয়ে উঠলো ,মান্না দের পৌষ সঙ্গীতের সঙ্গে এমন কবিতার যুগলবন্দিতে। সবাই তাই জোর করেই অমলেন্দুকে স্টেজে তুলে দিলো। তরুণ কবিরা প্রাণের আকুতি জানালো–স্যার আপনার কবিতা শুনতে চাই। অমলেন্দু খুব শান্ত কন্ঠে বললো– ভেবেছিলাম অনেকক্ষণ মাস্টারগিরি করার পরে শিশুর সারল্য নিয়ে তোমাদের কবিতা শুনবো,গান শুনবো। তোমরা অনুরোধ না করলে দ্বিতীয়বার আমি আর মঞ্চে উঠতাম না। কিন্তু আমার কবিতা বলার চেয়ে একটা অনেক বেশি জরুরি কথা এখানে উপস্থিত আপনাদের সবাইকে জানানো দরকার। গতবছর এই সময় কলকাতার কাছাকাছি একটি জেলায় ছোটোখাটো এক বইমেলায় একটি দুপুরে কবিসম্মেলনের সভাপতি হবার অনুরোধ রাখতে হয়েছিল। মঞ্চ আলো করে ফুল ও সম্মাননা দিয়ে আমাকে বসানো হল। আমার পাশের টেবিলে একজন ভদ্রলোক একটি রসিদ বই নিয়ে বসলেন। আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না ব্যাপারটা কী ঘটতে চলেছে। একজন প্রাজ্ঞ সম্পাদক ও বইমেলার কর্মকর্তা ইনিয়ে বিনিয়ে উপস্থিত জনা পঞ্চাশ কবিকে অনুরোধ করলেন , তাঁদের বইমেলার দারিদ্র ঘোচাতে প্রত্যেককে কিছু অর্থ সাহায্য করতে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এটাও বলে দিলেন,এই অনুদান বাধ্যতামূলক নয়।কেউ ইচ্ছে করলে নাও দিতে পারেন। সেদিন আমি অসহায়ের মতো দেখলাম, তরুণ কবিরা দুটো তিনটে জেলা টপকে এসে , কেউ একশো , কেউ দুশো কেউ তিনশো টাকা দিয়ে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াচ্ছে একটা কুড়ি-লাইনের লাইনের কবিতা বলার জন্য। বলার শেষে একটা টিফিন প্যাকেট আর একটা ছোট্ট মেমেন্টো নিয়ে স্টেজ থেকে নেমে যাচ্ছে। এটা যে কত বড় অন্যায়,সে সম্পর্কে কারোর কোনো হেলদোল দেখলাম না। লজ্জায় আমার মাথা নিচু হয়ে গেলো এবং মনে হলো — তরুণ কবিরা তো আমাকেও এই ঘটনার অংশীদার বলে মনে করছে, তাই না ? আর আজ এখানে এসে কী দেখলাম ? কী অনুভব করলাম আমি ? দেখলাম, তরুণ কবিদের প্রতি আয়োজকদের কী উষ্ণ ও উদার আতিথেয়তা ! ধমক নেই , আঙুল তুলে নির্দেশ দেওয়া নেই , অনুদান নেওয়ার কোনো ফন্দি ফিকির নেই ,তার বদলে রয়েছে মুঠো মুঠো আনন্দ, হাসি, গান। এই জীবন যদি কবিতার মতো না হয়,তাহলে কবিজন্ম কাকে বলে ? যদি কোথাও আমার কোনো কবিজন্ম থেকে থাকে,তাহলে আজ এই কবিতার তীর্থভূমিতে তা ধন্য হলো। এই হলো আমার কথা। আজ আপনাদের কাছ থেকে যা পেলাম ,যে শিক্ষায় আমি শিক্ষিত হলাম, সেখান থেকেই শুরু হবে আমাদের আগামী কবিজন্মের দিগন্ত। নমস্কার।

ক্রমশ

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।