কবিতায় স্বর্ণযুগে শিশির দাশগুপ্ত (গুচ্ছ কবিতা)

১| সর্বনাশ
অস্তিত্ব সংকট জেনেও চীৎকার
মৃত্যুর আগে তবু কেউ তো গল্প লেখে —
অনিবার্যতা মধুর নয় ; চমৎকার ।
২| নির্লিপ্ত
সমস্ত পৃথিবীর ওজন কমে গেলে,
চিত্ত বাহু তোলে
জলে – স্থলে এমনকি রেকাবি পাত্রে বুরবুরি ওঠে
পাত্র ঝুঁকে পড়ে; গুণতি শুরু হয়
বেহায়া জল তবুও গড়িয়ে যায়।
৩| মন
হুঁশ শব্দে কেউ চলে গেল পাশ দিয়ে
নিঃশব্দ দরজার মুখে হাসি
খসে গেল বুকের চলটা, স্নায়ুর উত্তেজনা
বাতাস শুধু বলে; আজ তাজা , কাল আমিই বাসি।
৪| ভাঙন
বিভক্ত এক দানবীয় বিষয়
মোচার খোলার মতন হেলে থাকে
দুলতে থাকে পাখীর নীড়ের মতো —
অবিভক্ত আরো প্রকান্ড বিষয়
নিরবে নিরবধি কষ্টেসৃষ্টে যাপন
অথচ —
সমস্ত ভাঙন সম্ভাবনায় থাকে অদৃশ্য সুতো ।
৫| সময়
অবকাশে নদীটিরে চিনেছি
সিঁড়িতে জীবনযুদ্ধ দেখেছি
যুদ্ধের জল্পনায় মেতেছে যে
সভ্যতা মিথ্যাচার শিখিয়েছে
বোমারু বিমান শূণ্যে উড়ছে
নাগরিক চিৎকার বোমা সদৃশ
চতুরের চোখ ভোটে বা যুদ্ধে
বুদ্ধিজীবী শরণ নেয় বুদ্ধে।।