তবে আমার মনে হয় তিনি আর একটু বাড়ালে ভালো করতেন। পাশাপাশি যদি বলতেন ” ইহা বাঙালির রোগও বটে ” তবেই যথার্থ হতো বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে । যদিও তার উক্ত রচনাটি আবর্তিত হয়েছে কোন এক বাঙালি কমলাকান্তকে নিয়ে। হয়তো তাই তিনি বাঙালি কথাটি উল্লেখ করেন নি ।
আমরা যতগুলো নীতি সম্পর্কে জানি রাজনীতি তার মধ্যে বহুল আলোচিত ও সমালোচিত। আমরা বাঙালিরা যতটা না রাজনীতি সম্পর্কে জানি তার থেকেও বেশি রাজনীতি করি। এই জানা আর করার মাঝে যে ব্যবধান লক্ষ্য করা যায় এটাই বাঙালির বিশেষত্ব।
হয়তো একারনেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দারুন উন্নতি। ভুল বললাম উন্নতির শিখরে দাড়িয়ে আছে ।
হয়তো এটা এভাবেই চলবে, চলতে থাকবে।
জাতি হিসেবে আমরা তো উন্নত নই। সহজ, সরল আর সাদাসিধে এ বাঙালিই কিন্তু বৃটিশদের ঘোল খাইয়েছিলো। মানে নিজেরা ঘোলের পুকুরে নেমে ওদের হাতে এক ঘটি ঘোল তুলে দিয়েছিলো আর কি!
তবে আমাদের এই অবস্থার মাঝেও মাঝেমাঝে এমন কিছু রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক ও অধ্যাপক উঠে আসেন যাদের দেখলে সম্মানে, শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে। ঠিক তেমনি একজন মানুষ আছে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে। সঙ্গত কারনে তার নামটা উল্লেখ করলাম না। তবে একটা ” ক্লু ” দিই তার সম্পর্কে। তিনি হুমায়ুন আহমদের জামাই হন।
তার কথাগুলো শুনে মুগ্ধ হই । বারবার মুগ্ধ হই। এমন চিন্তাধারার মানুষকে অনেক বেশি দরকার সমাজের। বিশেষ করে পাঠক সমাজের তো বটেই।
অবশেষে বলি মুক্ত বুদ্ধির চর্চা আগেও হয়েছে এখনো হচ্ছে। এত এত তেলা মাথার ভিতরে তাদের দেখা মেলে না।
তবুও বলবো শুভবুদ্ধির উদয় হোক