T3 || প্রভাত ফেরি || বিশেষ সংখ্যায় হরপ্রসাদ রায়

একটা মাইলস্টোন, একটা ঋজু শরীর ও একটা বটগাছ
চেনা পাকা রাস্তাটা সোঁদা গন্ধ শুঁকছিল খেই হারানোর গ্রন্থিতে
আর একটা লোক প্রায় একা ঠায় দাঁড়িয়ে, সেখানেই
দূর থেকে দেখতাম
সময়ের চোখে প্রবণতা, বদলে যাওয়ার
চেনা পথটায় আরও ক’জন এবং আমিও
সামনের এগিয়ে লোকটাকে পেরুলেই বিভাজিত পথ, বহুধা
কখনো পাশ কাটাতে গেলে আড়চোখে চোখে পড়ত একটা ঋজু শরীর
তার ঠিক পিছনে একটা পুরনো মাইলস্টোন
আর আনুভূমিক হাতের কর্মঠ তর্জনী, প্রসারিত অর্বাচীন পথের একটির দিকে
ন্নাহ্! চোখে তাকাইনি সেভাবে, কখনও (হয়তবা অপরিচয়ে অথবা অদ্ভুত ভেবে)। না হলে নিশ্চিত করে অনুসারী পথের নিবিষ্ট চোখ দুটোর কথাও অনায়াস বলা যেত
দেখে নেওয়া যেত মাইলস্টোন পেরিয়ে যাওয়া সময়ের প্রতিফলন, চোখ দুটোয়
এখন সময় অন্য এবং সামনের পথেরা ধীরে ধীরে সড়ক হয়ে গেছে
একটি বেশ চওড়াও
সুনসান ছাড়িয়ে সরগরমও—
অনিবার্য মাইলস্টোন বসেছে আগে-আগেও
আর—
সেই সেখানটায় একটা ঝাঁকড়া বটগাছ, কবে যেন ছায়ারু হয়ে গেছে
মাটিকে শক্ত করে আঁকড়াতে, ঝুরি নেমেছে অজস্র
— সেসবের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে দেখা যাচ্ছে মাইলস্টোনটাও, আবছা—সময় ছাড়িয়ে, সময়ের রঙে
চিরকালীন—কালো মাথা ও সাদাটে অবয়বের।