কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে মোহাম্মদ শামীম মিয়া

প্রিয় কবি
বাষট্টির আলোকিত ভোরে,রাত শেষে,
বাইশে নভেম্বর নলডাঙা উঠেছিল হেসে।
আপন আলোয় উদ্ভাসিত হলো যেন রবি,
জন্ম নিলেন চাঁদের মতো সুন্দর এক কবি।
শিক্ষক পিতামাতার আলোকিত ঘর,
বইছিলো স্বর্গীয় অপূর্ব নহর।
কপোতাক্ষ নদের পাড়ে বেড়ে ওঠা যার,
যে কবির ভান্ডারে সাহিত্যের সম্ভার।
মা-মাটি যে কবির আপন স্বদেশ,
ফুলপাখি-প্রজাপতি ভালো লাগে বেশ।
যে কবির সহজ সরল কোমল মন,
মিশে যান সবার মাঝে যখন তখন।
মায়ার যাদুতে যিনি কাছেই টানেন,
প্রিয় হবার মন্ত্রটা ভালোই জানেন।
সদা হাসি শোভা পায় যে কবির মুখে,
পাশেতে সবার থাকেন সুখে আর দুখে।
যে কবির অনাবিল সাবলীল ভাষায়,
টিভির চ্যানেল যেন প্রাণ খুঁজে পায়।
অহংকার নেই কোনো,ব্যবহারে মাটি,
কথা আর কাজে যিনি একেবারে খাঁটি।
যে কবির কলমে ছোটে তারুণ্যের গান,
বাংলা সাহিত্যে যার বহু অবদান।
যে কবির কবিতায় সুনামী বৈশ্বিক,
সে কবি পরম পাওয়া অপূর্ব ঐশ্বিক।
চোখের ভেতরে তিনি আয়না খুঁজেন,
যে কবি মনের ব্যথা আর কষ্ট বুঝেন।
মানুষের কবি তিনি আলো যে আশার,
মালা গেঁথে চলেছেন বাংলা ভাষার।
রেজাউদ্দিন স্টালিন নাম খুবই প্রিয়,
জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা নিও।