সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে অভিজিৎ চৌধুরী (পর্ব – ৫৪)

না মানুষের সংসদ
ওখানে আমার মর্জিনা-আবদাল্লা হবে । সোনু, ঋতু, পেখমেরা রিহার্সালের জন্য পৌঁছে গেছে ।
এই সময় শ্রোত্রিয়ও এলো ।
শ্রোত্রিয় করবে ‘আলিবাবা’ ।
হঠাৎ গলার স্বরে কোমলতা নিয়ে এলো নন্দ-স্যার ।
না – মানুষেরা বিপন্ন । ওদের অস্তিত্ব রক্ষার কারণে গণতন্ত্রের পাঠ দরকার ।
ইন্দ্র বলল,
কিছুতেই হবে না । এখন মুক্তধারা মঞ্চ দেওয়া যাবে না ।
নন্দ স্যার বললেন,
এছাড়াও মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্তেরও প্রয়োজন ।
মানে !
সোনুর মা মৌমাছিদের চাকে আগুন লাগিয়ে লড়াইটা শুরু করেছে ।
সে তো ভালো কাজ করেছেন । ময়না রোজা করছিল ওর মধ্যেই ওকে মৌমাছিরা হুল দিয়ে দংশন করে ।
নন্দ-স্যার বললেন,
তাতে এমন কি হয়েছে !
ওর মুখ ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছে ।
নন্দ-স্যার বললেন,
কয়েকদিন পর ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু সোনুর মায়ের নৃশংস কাণ্ডের পর কি হয়েছে তোমরা খবর রেখেছ !
ইন্দ্র আমতা আমতা করে বলল,
না ।
কয়েকশো মৌমাছির মৃত্যু হয়েছে । ওরা মানুষের আচরণে আতংকিত ।
এই সময় কান্তু আর পল্টন এলো । ওরা প্রনাম করল নন্দ-স্যারকে ।
স্যার – শুধু মানুষকে দোষ দিয়ে লাভ হবে !