খিস্তিখেউড় – এ সঙ্কর্ষণ

পাশের পাড়ায় ঘরের ছেলে ক্যাল খেলে পিসীর মুখ ফোটেনা, কিন্তু দাদু একবার ছুঁচ ফোটানোর ক্রেডিট নিয়েছে কী নেয়নি, এক্কেবারে ফুলঝুরি।
প্রত্যেক একান্নবর্তী পরিবারে এমন একখান মূর্তিমান অবিবাহিত সমস্যা থাকেই যে লক্ষ্মীপুজোয় নাড়ু বানালেও (এক্ষেত্রে ত্রাণ মেলাই দিলেও) দরকারে (দেশের) একঘটি জলেরও (জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপেরও) যোগান দেয়না।
এরপর থেকে যে আগলিবার ইয়ের সরকার ব’লে চেঁচাবে, সোজা হেঁশেলের চাবি (মুখ্যমন্ত্রিত্ব) দিয়ে ব’সিয়ে দেবো, ক্যাঁজড়ার চোটে ২দিনে কেজরি হ’য়ে যাবে…
সারাদিন মাফলার গলায় দিয়ে ব’সে থেকো। যত্তসব।
ধন্যবাদ।