মোল্লা পাড়ার গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে সাপে কেটেছে তারে। হাসপাতালে নয় গেল ওঝার কাছে।মেয়েটি গেল মারা । কুসংস্কার আছে ঘিরে যা পরাধীনতার বাড়া।
ঝাকরু মাঝির মা বয়স সত্তর বছর।জান গুরু দিলেন নিদান “ডাইন” বলে।পুড়লো বাড়ি ঘর।
জগা বাগ্দীর মেজো ছেলেটার বুদ্ধি কম।সবাই বলে পাগল।শেকল দিয়ে বাঁধা থাকে এক বন্ধ ঘরে।যেমন থাকে গরু আর ছাগল।
ধীরাজ বাবু কাজ করতেন বড়পোষ্টে টাকাকড়ি ছিল না তো কম ।তবু কোনো ছেলে-মেয়ের কাছে হয়নি স্থান। স্থান বৃদ্ধাশ্রম।
অশিক্ষা তো বড় পরাধীনতা।
***
নদীর ধারে বাস দুঃখ বারোমাস। সর্ব গ্ৰাসী ভাঙ্গন সাথী আর দীর্ঘশ্বাস। একটি বাঁশের সাঁকো জীবন হায় হায় ,ভোট আসে ভোট যায় আশ্বাসে বুক বাঁধি আমরা আজ ও পাকা সেতুর আশায়।
দশ মাইল দূরে একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র । ওষুধ নেই ডাক্তার নেই।ওরা সব গেঁয়ো ভূত।এই তো ললাট লিখি। ওরা নাকি হাই তুললে সুপার
স্পেসালিটি ।
ফুটপাতে তে শুয়ে থাকে হাজার ভাগ্যহত । সর্বহারা। মাথার উপর ছাউনী টুকুর হকদার তো তারা।
যারা ঝরায় ঘাম তারা পায়না খেতে। ওরা মরে পেটের দায়ে । দাম কী কেউ দেয় ওদের ঘামে।কি ডান কি বামে। ওদের ভোটে জিতছে যারা লুঠছে তারা দেশটাকে দেশ সেবারই নামে।তারাই হলো নেতা।
এই তো স্বাধীনতা!!