ছেলেকে স্কুলে দিয়ে, চিত্রা বিজ্ঞাপনে মুখ ঢাকে। বাচ্চাদের মায়েরা হাসি খুশি দিন কাটায়। ফেসবুকে দেখে সবাই। কি সুখীই
মেয়েটা। হঠাৎ একটি পত্রিকার সম্পাদক, ” তোমার চোখদুটো এত ছলছলে কেন? ” চিত্রা কি করে বলবে অত্যন্ত সাধারণ মেয়ে। প্রতি মুহূর্তে হেরে গিয়ে, হেরে যাবে ভেবে ও চোয়াল শক্ত করে ভাবে জেতা যায়। সম্পাদকের অদ্ভূত জেদ। তোমাকে আবিষ্কার করব। দারুন খেলা। যাদের সে প্রিয় বন্ধু ভাবে তারা ও সঙ্গী। দোষ ছিল চিত্রার ছেলেমানুষি । সম্পাদকের ডাক এবারে ও। চিত্রা দেখে, সম্পাদকের অপূর্ব সুন্দরী স্ত্রী ও নায়িকার মত বান্ধবী। তবু সম্পাদক চিত্রাকে বলে ওঠে, এ চোখে হারিয়ে গেছি, ঠোটের হাসিতে। কেদে ফেলে চিত্রা ” আজব তো পুরুষ “। জিততে পারে নি কালো চিত্রা।
তার শৈশবের বন্ধু বলে দিয়েছিল। পুরুষ সোনার চেন। অনেক দামী। থাকতেই পারে পত্নী থেকে উপপত্নী। কিন্তু নারী,
তার যদি মন ভালোবাসতে চায়
যদি সে জেতার স্বপ্ন দেখে আমি ও জিতব পৃথিবীর লাঞ্ছনায় তাকে সমাদৃত করা ” বেশ্যা” শব্দে।