তেঁতুল গাছের নিচে বাঁশের মাচায় বসে বসে ঘুমিয়ে যাও এ বৈশাখে
চারিদিকে যে মহামারী!- জায়গা কোথায় শান্তির জন্য?
বরং পুকুরের ধারে একটু জিরিয়ে, চলো হাঁটি মেঠো পথে;
যেখানে সবুজবন আর ছায়ায় ঘেরা শান্তির বিছানা রয়েছে।
এ শহর এখন দুষিত পঁচাগলা লাশের শহর-আতঙ্ক যার নাম;
তার সর্বোত্র বিধ্বস্ত, ঝরে পড়া প্রাচীরের দেওয়াল-
শুধু শরীরেই পচন ধরেনি,ধরেছে মন ও মননেও।
চলো ফিরে যাই মূল্যবোধের সনাতন খুঁটিতে-বসত গড়ি
নতুন করে, যেখানে জীবনের ভাঁজে-ভাঁজে ঝুলে থাকে মায়া ও মমতা।
কতদিনেরই বা জীবন তোমার!
– কাঁদামাটি মেখে হেসে খেলে স্বজনের সাথে থাকা অনেক ভালো;
ভালো হয়, মাঠের সাথে মেঠো পথের বন্ধনে পা রেখে হেঁটে চলা
ঠিক বাবার হাত ধরে হাটে যাওয়ার মত অথবা মায়ের আঁচল ধরে খালাবাড়ি যাওয়ার মত।
হয়তো বা জীবনের প্রকৃত সুখ মাঠে-মাচায়-মেঠো পথেই
হয়তো জীবনের সুখ নদীর ঘাটে অথবা অবাধ সাঁতারেই।