সংজ্ঞা
শ্রদ্ধা মেশাই আলপনাতে আলোর বেণু শুনি
নতুন কোনো গল্পলোকের বাঁকের পদধ্বনি
মেঘলা দিনে রাখাল রাজা জলকে চলো বলে
খেয়া ভাসাই দিলদরিয়ায় অগাধ কৌতূহলে
ফিরছে কখন দিনগুনিয়া ভিজছে কখন মাটি
বুক টিপটিপ স্রোতের টানে খড়কুটো একলাটি
ওড়ায় জমাট খেলনাবাটি ডুবছে তারা জলে
কাঁপছি ভীষণ স্পর্শ মাণিক সোহাগ একেই বলে?
সেই সব রূপকথা
ধরে নাও আমরা আর ছোটোটি নেই
ধরে নাও
বিনামূল্যে আচারের টাকনায় আর মিশে থাকে না হজমিগুলির নিদান
অথবা গুলঞ্চলতার এলো দিনগুলোয় লেবু লেবু গন্ধের রূপকথা
অপেক্ষা র দু বিনুনী তে মিশে থাকা সংক্রান্তির ওলন দড়ি
হালে পানি না পেয়ে কেমন রুক্ষতায়…
সময়ের নামতায় হেরে বসে আছে দেনাপাওনা র হিসেব নিকেশ
বারুদ ঘরে টক ঝাল নুন বৃত্তান্তের ইতিকথা বেমালুম পেরিয়ে গিয়েছে পরিণত পদক্ষেপ
প্রয়োজনীয় অ্যাপ ঘেঁটে শুধু বেমালুম রং রুটে চলে যাই
আনমনে ঘেমে যাওয়া হাতের তালুয়
অপেক্ষার পারদ চড়চড় করে বাড়ে
আর অবেলার নামতায় বার বার এসে ধাক্কা দেওয়া মনকেমনের ছেলেবেলাটা কেবল
আঁচল টেনে ধরে
শ্রান্ত ন্যুব্জ দেহে সে অপেক্ষায় বসে আমাদের সেগুলোর দোরগোড়ায়
তার শতাব্দী প্রাচীন আশীর্বাদের হাতটি নিয়ে নিত্যতায় শুধু খুঁজেই চলেছে সেই সব ধুলোখেলার মণিমুক্তো কুচি…
তোরা কি তা বুঝবি না..?