রিমি যেমন দেখতে তেমনি গুণী মেয়ে, শিক্ষিতা, গান জানে, নিজের একটা বুটিক আছে, ভীষণ স্মার্ট ।
আর শুদ্ধ? যেমন তার নাম তেমন তার গুন তেমনিই তার রুপ।তাই
এক দেখাতেই দুজনে দুজনের পছন্দ হয়ে যায়।
কথায় বলেনা যেমন হাঁড়ি তেমন তার ঢাকা। এ যেন তাই।
একটা ভালো দিন দেখে গৌরী দেবী আশীর্বাদ করে আসেন পুত্রবধূ রিমিকে।
ধুমধাম করে বিয়ে দেন ছেলের।
এখনকার দিনের মেয়েদের কাছে বিয়ে, ফুলশয্যা তেমন যেন ভয় বা লজ্জার কিছু নয়।
সত্যি বলতে কি নানানরকম মিডিয়া এবং শিক্ষা মেয়েদের এখন এই জায়গা গুলো থেকে অনেকটা সাবলীল করে তুলেছে।
রিমি ফুলশয্যা ঘরে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নিজের আলমারি খুলে নাইট ড্রেস পড়তে পড়তে ভীষন সাবলীলভাবে শুদ্ধকে বলতে লাগলো,
তুমি একটু ফ্রেশ হয়ে নাও সারাদিন আমাদের খুব ধকল গেছে তারপর না হয় আজকের রাতটা গল্প করেই কাটাবো।তবে তোমার আমার মানে আমাদের দুজনেরই ভীষণ ভাবে ঘুমের দরকার।
আশা করি তুমি প্রথম রাত্রিতেই আমার শরীর চেয়ে বসবে না।
বুদ্ধ তাঁর মায়ের শিক্ষা দীক্ষায় বড় হয়েছে তাই, ঠিক এই ধরনের কথা প্রথম রাতেই স্ত্রী রিমির মুখে শুনে একটু সংকুচিত হয়ে বললো, না না তুমি বিশ্রাম করো আমি তোমাকে কোনোভাবেই বিরক্ত করব না।
শুদ্ধ বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে ঘরে ঢুকে দেখল রিমি একটা লাল রঙের নেটের রাত্রিপোশাক পড়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে আছে। মাথা ভর্তি একরাশ লম্বা চুল পিঠের উপর ছড়িয়ে পড়েছে। অপূর্ব সুন্দরী লাগছে তার দিক থেকে চোখ যেনো ফেরানো যাচ্ছে না।
শুদ্ধ রিমির পাশে এসে দাঁড়িয়ে তার কাঁধের উপর হাত রাখল।
রিমি শুদ্ধর দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে গেল।
শুদ্ধ এতক্ষণ ধুতি-পাঞ্জাবি পড়েছিল এখন সে একটা নীল রংয়ের ট্রাউজার আর তার উপরে হলুদ রঙের একটা পাঞ্জাবি পড়েছে। গায়ের রং আর পাঞ্জাবি রং মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে।
তার গায়ে একটা মিষ্টি পারফিউমের গন্ধ বেরচ্ছে। রিমি ভীষণভাবে আকর্ষিত হয়ে তার নিজের বলা সমস্ত কথা ভুলে গিয়ে শুদ্ধকে জড়িয়ে ধরে স্বামীর ঠোঁটে ঠোঁট রাখলো।
শুদ্ধ তাকে দুহাতে পাঁচকোলা করে তার বুকে তুলে খাটে নিয়ে এসে শুইয়ে দিল।
কথায় বলে যতই সাবধানে রাখোনা কেন ঘি আর আগুন পাশাপাশি থাকলে একটা সময় ঠিক গলতে শুরু করবেই।
আর সেখানে ফুলের বিছানায় সদ্য বিবাহিত দুই যুবক যুবতী সেখানে শরীরের কামনাকে বেঁধে রাখবে কি করে?