একটু দূরের দর্শনীয় স্থান কিন্তু আগ্রহ সূচক। পুণ্য অর্জন বা মনস্কামনা পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে মানুষ বিপদ সঙ্কুল পথে চিরকাল পাড়ি দিয়েছে। আমরাও দিয়েছিলাম বিজলী মহাদেবের নামে।
কুলু থেকে বেশ খানিকটা দূরে মহাদেব মন্দির পাহাড়ের মাথায়। পাকদন্ডী পথ বেয়ে আমরা পাহাড়ের সমতল ভূমিতে স্থাপিত কাঠের মন্দিরে প্রবেশ করলাম। দরজা ছাড়া দক্ষিণ দিকে একটি এক ফুট ব্যাসের ছিদ্র ছাড়া কিছু চোখে পড়ল না। শিব লিঙ্গ ঘিয়ে রঙের। পূজারী কে জিজ্ঞেস করাতে তিনি বললেন বছরের একদিন ঐ ছিদ্র দিয়ে লিঙ্গের উপর বাজ পড়ে এবং লিঙ্গ ছত্রখান হয়ে যায়। পড়ে মাখন দিয়ে ঐ লিঙ্গের টুকরো গুলো জুড়ে দেওয়া হয়।
আশ্চর্য প্রাকৃতিক নিয়ম।
রুট ডিরেকশন:
কলকাতা দিল্লি থেকে ট্রেনে সিমলা। সিমলা থেকে বাসে কুলু। অথবা দিল্লি থেকে কুলু।