দেখতে দেখতে একটা বছর কেটে গেলো, লেখায়, আঁকায়, রং, বং, চঙের মুহূর্তযাপনের মধ্যে দিয়ে। শনিবারের সাহিত্য হৈচৈ-তে পেলাম অসংখ্য কচিকাঁচা হাতের কবিতা, গল্প, ছোটদের সাথে সাথে বড়রাও লিখেছে তাদের মনের কথা, ভ্রমণ, ছড়া, কবিতা, বড়গল্প-সব মিলিয়ে সাহিত্য হৈচৈয়ের পাতা উৎকৃষ্ট হয়েছে দিনের পর দিন। ছোটদের নিজস্ব কল্পনার জগতের রং এসে মিলেমিশে গেছে হৈচৈ করার জন্য, রেখে দিয়েছে তাদের লেখার মধ্যে দিয়ে জীবনের ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম মুহূর্তগুলোকে ভালোবাসার রঙে কিভাবে ভরিয়ে দিতে হয়, তা জানতে শেখা। ভিড় আর অতিমারীর ভয়কে জয় করে জীবনের ছোটবেলাগুলো ফিরিয়ে আনার জন্য উদগ্রীব হয়ে থেকেছে সাহিত্য হৈচৈ। নিখাদ, নির্মল শিশুসুলভ আনন্দ কি তা যখন আমরা প্রায় ভুলতে বসেছিলাম, তখন সাহিত্য হৈচৈয়ের রঙিন পাতা সত্যিকারের সাহিত্যপ্রেমী, এমন কি সব বয়সের মানুষের মধ্যে হয়ে উঠেছে এক ফিরে পাওয়া শৈশব-অ্যালবাম।
আমরা হৈচৈ করেছি কলকাতা নিয়ে, ছোটদের রান্না নিয়ে, দুপুর নিয়ে, গল্প, কবিতা, গান,ছোটদের নাটক নিয়ে, স্মরণীয় ব্যক্তিত্বদের নিয়ে, কোনোরকম গম্ভীর তাত্বিক আলোচনার মধ্যে দিয়ে না গিয়ে শুধু নিছক সরলতার সাথে এগিয়ে থেকেছি শিশুসাথী হয়ে।আমরা শিশু-কিশোর মনন, মেধা, সবকিছুর বৃত্তে থেকেও হৈচৈতে তাদের শিক্ষণীয় এবং ধারাবাহিকতাগুলিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি যেখানে রং লেপ্টে যাওয়াটাও রবার দিয়ে মুছে ফেলা হয়নি, ভুল বানানগুলোও কখনো কখনো মনে হয়েছে যদি কোনো নতুন ধারাপাত সৃষ্টি করে তাহলে করুক!
এই সপ্তাহেও নতুন বছর স্পেশাল সাহিত্য হৈচৈ সংখ্যায় আমরা রাখছি শিশু-কিশোর ধারাবাহিক উপন্যাস, নব্বইয়ের গল্প, শনিবারের ছড়া আর ছোটদের করা রঙের আল্পনা। পড়তে থাকুন, ভালোবাসতে থাকুন, সাহিত্য হৈচৈ, টেকটাচটক, শুধু আপনাদের জন্যে।