আজ আমি বড়োই ক্লান্ত।
মনটা যে হলো ভাবনার খাঁচায় বন্দী!
আকাশে বাতাসে শুধু তোমারে আমি খুঁজি।
কোথায় তুমি? কৈ?
আর তো পাই না শুনিতে তোমার গান।
না পাই শুনিতে গলার সেই গুরু গম্ভীর টান।
তবুও যেন মনে হয়, শুনছি তো! ঐ যে?
ঐ দূর দিগন্ত হতে ভেসে আসা তোমার গান
“কে আছো বাঁচাও; বাঁচাও মোর এই প্রাণ”।
দাদা, বিরাগের গন্ধ ছড়িয়ে বৈশাখী ঝড়ে
কোথায় হলে উধাও জীবনের এই দুপুরবেলা!
বাকি যে রয়ে গেল এ সংসারে
হাসিখুশির আঁচল ধরে কতো রং খেলা!
নয়নের জল হয়ে ভিজিয়ে দিলে মোর গাল।
গাল বেয়ে বদ্ধ ঠোঁটে স্নেহের চুম্বনে বললে,
আমি তো তোমারই হৃদে বিরাজমান, ভাই।
আজও শুয়ে আছি তোমারই পাশে, তাই।
শোনাবো তোমায় আজ আমারই মনের গান
“আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়।
মোছো আঁখি দুয়ার খোলো দাও বিদায়”!
তোমার নেতৃত্বে এ জগত হইয়াছে সভ্য।
তোমারই প্রতিনিধিত্বে উন্নত শির লভ্য।
আধুনিক জীবন হোক না কেন ডিজিটাল।
মুল্য তো তোমার থাকিবে জগতে চিরকাল।
কলম, তাই তো তুমি প্রিয়!
হলেই বা তুমি নির্জীব, জীবনের যে আধার !
পাণ্ডুলিপির জন্ম, সে তো তোমারই চমৎকার !
সঙ্গতি তোমা ছাড়া এ জীবন হয় যে শুন্য!
কাগজ-কলমে জীবনটা হইয়াছে তাই ধন্য!
কলম, তাই তো তুমি প্রিয়!
তুমি আছো নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে বিরাজমান।
ভাবনার প্রকাশে তোমারই আছে অবদান।
তোমার শক্তি করিলাম হেথা প্রদর্শন।
তাহাতেও হইল তোমারই যে প্রয়োজন।
কলম, তাই তো তুমি সবার প্রিয়!