।। ত্রিতাপহারিণী ২০২০।। T3 শারদ সংখ্যায় মিষ্টু বসু

রোমন্থন

যেভাবে গভীরতা খাদ খুঁজে নেয়-
সেভাবে প্রবল আঘাত পেলে,
নৈঃশব্দ্য এসে ধরা দেয়
বিক্ষত কোনো পর্যালোচনার শেষে অনিবার্য
প্রলাপের অকারণ বদলি হিসেবে…
ছেড়ে যায় একটার পর একটা অনুভূতি এতকাল
অতি প্রিয় যেসব হঠাৎ বিলীন হওয়ার পথে
ঝরে পড়া ফুলের সুবাস জাগিয়ে তোলে, নিঃস্ব এই
প্রাপ্তির ভাড়ার গুছিয়ে রাখার প্রবণতায়
কি হয় তারপর, বৃষ্টিস্নাত কোনো বিকেলে,
তার স্মৃতি অমলিন জেগে থাকে বহুকাল
পাঁজরের বাম পাশে অধুনালুপ্ত অভ্যাসে।

উলঙ্গ

আসলে আবরণ বলে কিছু হয়না
শেষমেশ প্রায় সমস্তটাই ধুয়ে যায়
লেগে থাকে যতটুকু অস্তমিত গয়না
ছাপোষা অন্ধকার নিঃসাড়ে গিলে খায়
বেড়ালের চোখে সে যাত্রা স্থবির নয়
হাসতে না জানলেও অক্লেশে বুঝিয়ে দেয়
কদর শুধু মোহের কাছে অনন্ত ছায়াময়
বাকিটুকু সিদ্ধান্ত হীনতায় নিছক ব্যয়
প্রয়োজনে নিষ্ফল হওয়া ব্যতিক্রমী ঠিক
আত্মহারা প্রগল্পতা শোকেরই নামান্তর
যে চোখে স্বপ্ন খোঁজে দিক্বিদিক
শাওনের ভরা মরসুম তার আতান্তর
বুঝতে পারলে আগুনের বোধ সহজলভ্য
দু এক পশলা জখম বর্ষালেই মুহূর্তে, হায়!
শেষ বিচারে আজও মানুষ আদিম অসভ্য
কোথাও না কোথাও সব আবরণ ঘুচিয়ে দেয়।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।