এ পথ দীর্ঘ । অপেক্ষা আর উপেক্ষা দুই প্রান্তিক স্থান ।
অপেক্ষা থেকে হাঁটতে শুরু করে যত কেউ উপেক্ষার নিকটবর্তী হতে শুরু করে তত কমতে থাকে পথের দুপাশে পাতা- ফল-ফুল-পাখি । বসন্ত হ্রাস পায় । প্রাবল্য বাড়ে শৈত্যের । শেষের দিকে শুধু থেকে যায় নিরাভরণ বৃক্ষরাজি আর পথের দুধারে জীর্ণ পাতা।
পথিক যাত্রার অভিমুখ অনুযায়ী নির্ধারণ করে পথের নাম । অপেক্ষা থেকে হাঁটতে হাঁটতে পথিক যখন উপেক্ষায় এসে পৌঁছায়, তখন নামকরণ করে জীবন । জীবন পথের পথিক উপেক্ষায় এসে জ্বালা মেটায় দু-দন্ড । শান্তি পায় না। ক্রমশ দুর্বিসহ হয়ে ওঠে চারপাশ ।
অন্যদিকে, উপেক্ষা থেকে যাত্রা শুরু করে কেউ যদি শেষে অপেক্ষায় এসে পৌঁছায়, নাম দেয় ভালোবাসা। ভালবাসার পথ ধরে যারা চিরহরিৎ অপেক্ষায় এসে পৌঁছায়, তাদের আর কোথাও যাবার থাকে না । তারা সেখানেই বসত করে ।