।। ত্রিতাপহারিণী ২০২০।। T3 শারদ সংখ্যায় প্রণতি গায়েন

এক পশলা বৃষ্টির আড়ালে 

টিকিটটা হাতে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা অর্পণ-একই টাকা অথচ এ.সি ।কী ভাগ্য অর্পণের !মা-বাবাকে জানায়নি অথচ টিকিট কেটে বসেছে ব্যাঙ্গালোরের।দুদিন আগে বাবা-মার সাথে ভীষণ ঝগড়া।বি.এস.সি পাস করে অর্পণ বসেই আছে ।না করছে এস.এস.সি পাওয়ার চেষ্টা,নাঅন্য চাকরির চেষ্টা !শুধু যাত্রা-নাটক-থিয়েটার নিয়ে ই মেতে আছে।নায়ক হবার স্বপ্ন তার যা আকাশ কুসুম কল্পনা।তাই বাবাকয়েক ভীষণ বাজেভাবে বকেছে,তার সাথে মা ও যোগ দিয়েছে।অর্পণের রাগটা ওখানেই বেশি যে,মা ও শেষপর্যন্ত বাবার সাথে যোগ দিল?প্রচণ্ড রাগে,দুঃখে,অভিমানে অর্পণ হাতে যা টাকা ছিল তাই দিয়ে তৎকাল টিকিট কাটে দুরন্ত এক্সপ্রেস-এ।কয়েকদিন আগে পেপারে পড়েছিল যে,বিখ্যাত প্রযোজক এস.রায় তাঁর পরবর্তী বই ‘রক্তাক্ত রাজবাড়ি’র শুটিং করতে ব্যাঙ্গালোরের মহিশূরে যাচ্ছেন।ব্যাস হয়ে গেল দুই-দুই এ চার।অর্পণ টিকিটটা কেটেই বসলো।যদি ওখানে গিয়ে এস.রায়কে ধরে কিছু একটা রোল পাওয়া যায়,তবে স্বপ্ন তো পূরণ হবে;ওদিকে মা-বাবাকে ও একটা শাস্তি দেওয়া হবে।পরে ফিরে এসে সব বললেই হবে।যেমন ভাবা,তেমন ই কাজ।,।আজ সেই টিকিটই হাতে পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বল ,কারণ কম টাকায় এ সি.তে যাবে অর্পণ।কেমন যেন একটা রাজা রাজা ভাব।এমনিতেই অর্পণ দেখতে ভীষণই সুন্দর-স্মার্ট-বেশ ব্যক্তিত্বপূর্ণ চেহারা,কিন্তু একটু বাচাল-বোকা গোত্রের হলেও নিজেকে বিরাট কিছু ভাবে।যাক টিকিটটা হতে পেয়ে বাড়ি ফিরে অর্পণ বাড়িতে চুপচাপই থাকে, মা ও চুপচাপ বাবা তো তাকায় পর্যন্ত না।বোন কথা বলতে এলে,দু-একটা কথা বলে ব্যাস !এইভাবে দুদিন কেটে যায়,অর্পণ কাউকে কিছু না বলে-যখন মা বাথরুমে, বোন ঘুমোচ্ছে, বাবা ও তাই।তখন ই ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায় একটা ছোট চিরকুটে লিখে যায়–‘আমি যাচ্ছি, খোঁজ করার প্রয়োজন নেই; যদি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি তবে ফিরে আসব’।সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে আসছে না দেখে মা ডাকতে গিয়ে দেখে -নেই অর্পণ ,সামনে চিরকূটটা।সেটা বাবার হাতে দিয়ে কাঁদতে থাকে।বাবা বলে–এবার নতুন কিছু নয়,দেখ শিঘ্রই ফিরে আসবে।কথাটা বলেই উনি অফিসে চলে যান।মা বসে পড়ে টেবিলে-বোন এসে মাথায় হাত বুলিয়ে বোঝাতে থাকে।সকাল ১১টায় হাওড়ায় ট্রেন।ট্রেনে চেপে ব্যাগটা রাখতে রাখতে অর্পণ দেখতে লাগলো তার পাশের সিটে কে বা কারা বসেছে।দেখেই চক্ষু হাঁ –এ যে ভীষণ সুন্দরী এক তরুণী, চোখ ফেরানো অসম্ভব-বিশ্বামিত্রের তপস্যা টলে যাওয়ার উপক্রম।ভগবান যেন রঙ তুলি দিয়ে নিখুঁত ভাবে- একেবারে কুমোরটুলি থেকে অর্ডার দেওয়া জীবন্ত দেবীমূর্তি !অর্পণ ভ্যাবলাকান্তের মতো চেয়ে থাকলে মেয়েটি অস্বস্তিতে পড়ে যায়।মেয়েটি বলে––কিছু বলবেন ?
—-না,মানে…(কী বলবে খুঁজে না পেয়ে মোবাইলটা খুঁজে পাচ্ছি না বলে ব্যাগ ও পকেট হাতড়াতে থাকে)।তারপর – হ্যাঁ,পেয়েছি…!
মেয়েটি মৃদু হেসে অর্পণের মনোভাব বুঝতে পেরে ব্যাগটা রাখতে থাকে।তারপর ফেসওয়াশ বার করে বেসিনে মুখ,হাত ধুয়ে -মুছে চুল খুলে আচড়াতে থাকে।ততক্ষণে ট্রেনটা ছেড়ে দিয়েছে।চুল খুলে যেন উর্বশী-ও আরো সুন্দরী লাগছে !অর্পণ কোনোভাবেই চোখকে দমন করতে পারছে না, পড়ার নাম করে পেপারে চোখ না গিয়ে বারবার ওইদিকে ই যাচ্ছে-ব়াঁকা চোখে তাকাতে থাকে।মেয়েটি চুল আচড়াতে আচড়াতে ‘ন হন্যতে’বইটি বের করে পড়তে শুর করে দিল।অর্পণ বিস্কুট বার করে খেতে যাওয়ার আগে মেয়েটির দিকে এগিয়ে দিলে,মেয়েটি’নো থ্যাংকস’বলেই পড়াতে মন দিল।অর্পণ খেতে খেতে পেপার বার করলে ও মন নেই-সামনে এমন উর্বশী বসে থাকলে,তার সাথে পরিচয় না করে থাকা যায়?কী যে করি! যেচে আলাপ করলে ব্যক্তিত্ব ক্ষুন্ন হবে-না,থাক,পরে দেখা যাবে।এবার পেপারে মন দিলেও পারে না,মন চঞ্চল।এমনিতেই এ.সিতে চেপে অর্পণের রাজা রাজা ভাব।তাছাড়া অর্পণ দেখতে ও ভীষণ সুন্দর -বেশ নায়কের মতো সুদর্শন চেহারা।এটাই অর্পণের অহংকার, তবুও মেয়েটা কেমন যেন নিশ্চুপ !পড়ছে তো পড়ছেই-ঘুরে ও দেখছে না।চুল খোলা, চিরুনিটা মাথাতেই, বেশ লাগছে।কিন্তু মেয়েটা মিশুকে নয়-ধ্যাৎ এত সুন্দর ট্রেন, এত সুন্দর লং জার্নি, সামনে একজন উর্বশী-অথচ দেখ মেয়েটি….।এবার অর্পণ শুরু করলো ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে—ম্যাডামের নামটা জানা হলো না?আমি অর্পণ মিত্র….।
মেয়েটি বই হাতে নিয়ে বলে–নাম নিয়ে কী হবে?
অর্পণ বলে–কেন এতটা পথ যাব,তাতে বোরিং লাগে না?তাই নাম জানা থাকলে গল্প করতে করতে গেলে জার্নিটা ভীষণ সুন্দর হবে না কী?
মেয়েটি মৃদু হেসে বলে-তাই বুঝি?অধমের নাম-স্মিতা সেন।
—ব্যাস এইটুকুই !কোথায় বাড়ি ,কী করেন, কোথায় যাচ্ছেন?
মেয়েটি এবার ও মৃদু হাসল,তাতে দুগালে টোল পড়ে-সত্যিই এ যেন উর্বশীকে ও হার মানায়।তারপর বলে-না, তা না-তবে এখন এইটুকু ই থাক।বাকিটা না হয় অনেক পথ আছে পরে বলবো।এখন পরিচয় পর্ব আপনার দিয়ে ই না হয় শুরু হোক।-তাই না?
অর্পণ তো এটাই চায়ছিল-নিজেকে জাহির করার একবার সুযোগ পেলে আর মুখ বন্ধ হয় না।এমন সুযোগ হাতছাড়া করা যায়?আর মেয়েটির ক্ষেত্রে নামই যথেষ্ট বাকীটা না জানলেও চলবে।মেয়েটিকে দারুণ লেগেছে এটাই যথেষ্ট !এবার দেখা যাক পথের সঙ্গীকে জীবনসঙ্গী করা যায় কী না-সেটাই ভাবছে অর্পণ।শুরু হলো অর্পণের ঝুলি থেকে মিথ্যের ঝুড়ি-আমি নাম তো বলেইছি আগে-অর্পণ মিত্র, মা-বাবার একমাত্র সন্তান, বোন আছে ।আমি একজন নায়ক-বর্তমানে শুটিং এ যাচ্ছি, বইটির নাম-‘রক্তাক্ত রাজবাড়ি’-মহিশূরে শুটিং।আসলে জানেন তো মিস্টার রায় বারবার অনুরোধ করায়,আমি রাজি হলাম।নয়তো এই মুহূর্তে হাতে আরো বড় বাজেটের পাঁচটা শুটিং চলছে টালিগঞ্জে-এতদূর আসতে হলো শুধু মিস্টার রায়ের কথাতেই।বাকিগুলো গিয়ে শুটিং হবে,আপাতত আমার জন্য সব কাজ বন্ধ-ভাবতে পারেন কী অবস্থা !
মেয়েটি শুনে মৃদু হেসে বলে–বাঃ আপনি তো তাহলে এখনকার একজন ব্যস্ত নায়ক ?চেহারা দেখেই অবশ্য প্রথমে মনে হয়েছে-আসলে কী জানেন আমি সিনেমার জগত থেকে দূরে থাকি,তাই বোধহয় নায়কের নামটা শোনা হয়নি।
অর্পণ মনে মনে ভাবলো—ভাগ্যিস দূরে থাকেন, নয়তো নামটা কোথায় পেতেন?এবার অর্পণ হেসে বললো–কী আছে এতদিন দেখেননি এবার দেখবেন -যেহেতু নায়কের সাথে পরিচয় হয়ে গেল !আর বিশেষ করে ‘রক্তাক্ত রাজবাড়ি’বইটি অবশ্যই দেখবেন।
মেয়েটি ঘাড় নেড়ে ‘হ্যাঁ’বলে বইটি পড়তে লেগে যায়।অর্পণ মনে মনে ভয় পেয়ে ভাবে–যদি বইটি দেখে কী হবে?আবার তৎক্ষণাৎ ভাবে- ধ্যাৎ !বইটা যখন বের হবে,তখন মেয়েটি কোথায়!আদৌ তার সাথে আর দেখা হবে কী না !পরক্ষণেই ভাবে–না, না, দেখা তো ,হতেই হবে-একে ছাড়া তার চলবে না !একে জীবনসঙ্গী না বানালে অর্পণ বাঁচবে না–এখন ই এত ভালোবেসে ফেলেছে যদি বইটা বের হওয়ার আগে পর্যন্ত মেয়েটি প্রেমিকা থাকে ,তবে কিছু একটা করে পরে ম্যানেজ করা যাবে।এখন চক্ষু সার্থক করে একটু প্রেমালাপ তো করি!তারপর না হয় মহিশূরে গিয়ে মিস্টার রায়কে ধরে সত্যিই একটা রোল জোগাড় করে,মেয়েটিকে বলবো যে,সময়াভাবে আমি নায়কের রোলটা ছেড়ে দিয়েছি।
হঠাৎ মেয়েটি বই দিয়ে ঠুকে বলে–আরে কী ভাবছেন অর্পণবাবু ?
—না,কিছু না, বাড়ির কথা মনে পড়ে গেল!
—তা আজকালকার ব্যস্ত নায়কদের বাড়ির কথা ও মাথায় থাকে?
—-অবশ্যই।পার্শোনাল লাইফ আর প্রফেশনাল লাইফ এক করে দিলে হয়?
—-বাঃ !ভালো লাগলো–তাহলে আমি কি ধরে নিতে পারি যে,এখনকার জেনারেশনে ও মানবিকতা, মূল্যবোধ, দয়া-মায়া-স্নেহ-ভালোবাসা সবই আছে?কিছু ই হারিয়ে যায়নি এখন ও?
–অবশ্যই !এই দেখুন আমি মাকে ফোন না করে কিছু কাজে হাত দিই না।মিথ্যে কথাটা বলতে বলতে সত্যি ই অর্পণের মায়ের জন্য মনটা খারাপ হয়ে যায় !যে মা অর্পণের সমস্ত শখ আহ্লাদ পূরণের জন্য মাঝেমধ্যে বাবাকে ও লুকিয়ে টাকা পয়সা দেয়–আর সেই মাকে কিনা সে কষ্ট দিয়ে চলে এসছে?
—-কী হলো অর্পণবাবু-কী ভাবছেন?
—না, কিছু না ,আসলে মায়ের কথা খুব মনে পড়ে গেল।
অনেকক্ষণ দুজনেই নীরব !এইভাবে একটা রাত ও কেটে যায়।অর্পণ রাতে ঘুমোতে পারেনি বিবেকের যন্ত্রণায়–কেন এত মিথ্যে দিয়ে শুরু করলো?যদি মেয়েটা বুঝতে পেরে যায়?যেভাবে অর্পণ বলেছে-তাতে যদি ভবিষ্যতে ধরা পড়ে যায়?
পরক্ষণেই আবার ভাবে-ধ্যাৎ, এসব ভেবে কাজ নেই, যা হবার হবে।এখন স্মিতাকে হাতে আনতে হবে-সেই প্রথম অর্পণের পছন্দের নারী !তবে মেয়েটা কেমন যেন চেনা চেনা লাগছে !দূর !সুন্দরী দেখলেই অর্পণের চেনা চেনা লাগে-এই একটা মারাত্মক রোগ !
সকালে ব্রেকফাস্ট খেতে খেতে অর্পণই শুরু করে–গতকাল থেকে তো শুধু আমার কথাই বলে গেলাম, আপনার কথা কিছু বলুন?
–এত তাড়া কিসের ,এখন ও অনেক পথ বাকী!তখন না হয় বলা যাবে !
–তা নয়,আসলে ভাবছি আমি কি এতই অধম যে,আমাকে বিশ্বাস করে কিছু বলা যায় না?
—না, না, সেটা নয়।আমি ইংলিশে এম .এ করছি,বাড়ি কলকাতায়।বাকীটা পরে বলবো কেমন !
এইভাবে সময় চলে যায় কিভাবে বোঝায় যায় না।মাঝে স্মিতার বহু ফোন আসে-ও শুধু ‘হ্যাঁ’হ্যাঁ’ বলেই কেটে দেয়।অর্পণ বুঝতে পারে না-কার সাথে কথা বলছে ও কী কথা বলছে?
এবার অর্পণ ওকে নিজের জনপ্রিয়তা বোঝাতে মিথ্যা মিথ্যা নিজে নিজেই ফোন করে সাইলেন্ট রাখে।জোরে জোরে কথা শুরু করে নিজেই—-
-হ্যাঁ, মিস্টার রায়!হ্যাঁ, আমি নামছি ৪টে নাগাদ-আপনার স্টেশনে গাড়ি পাঠিয়ে দিন।আজ্ঞে হ্যাঁ !বলছি তো খুব শীঘ্রই নামছি !
স্মিতা ব্যাগ গোছাতে গোছাতে একবার অর্পণের দিকে তাকালে-অর্পণ মৃদু হেসে আবার জোরে জোরে ট্রেনের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলে।তারপর ফোন রেখে বলে–জানেন জ্বালিয়ে দেবে এরা!এইজন্য ই গতকাল থেকে সুইচ অফ ছিল।যাক ,যেকথা বলছিলাম–আপনার কেউ কি আসবে?না হলে আমার সাথে আমার গাড়িতে যেতে পারেন ।আমি ড্রপ করে চলে যাব।
স্মিতা মৃদু হেসে বলে –নো থ্যাংকস !আমি ঠিক চলে যাব।আমার অভ্যাস আছে।
বিকেল ৪টা১০এ ট্রেনটা থামে যশবন্তপুরে।অর্পণ ব্যাগটা তুলে ভালোভাবে সবদিক দেখে,যেই ভাবে স্মিতাকে ও নামিয়ে দিয়ে ঠিকানাটা জেনে নেবে-তখন ই দেখে স্মিতা নেই।ছুটে এসে দেখে গেট ধরে স্মিতা নামছে।অর্পণ তাড়াতাড়ি এসে বলে—ম্যাডাম ঠিকানাটা দিলেন না?
স্মিতা নেমে ব্যাগ থেকে একটা কার্ড বের করে দিতে দিতেই দেখে বহু লোকজনের ভিড় হয়ে গেছে।বহু সাংবাদিক, ফটোগ্রাফার–সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ট্রেন যাত্রীরা পর্যন্ত!অর্পণ অবাক হয়ে দেখতে ই এক সুদর্শন ভদ্রলোক এসে
জিজ্ঞাসা করেন—কি কোনো অসুবিধা হয়নি তো ম্যাডাম?আচ্ছা শোন, তুমি তাড়াতাড়ি এসে গাড়িতে বসো। একথা বলেই উনি চলে গেলেন।
সঙ্গে সঙ্গে দুজন লোক স্মিতার ব্যাগদুটো নিয়ে আগে আগে যেতে থাকে।সাংবাদিকদের প্রশ্নে জেরবার স্মিতা হেসে হেসেই উত্তর দিচ্ছেন।অর্পণ ‘হা’ হয়ে গেলে-ভিড়ের মধ্যে ও কার্ডটা অর্পণের হাতে কোনোক্রমে দিয়েই স্মিতা তাড়াতাড়ি পা চালাতে থাকে।অর্পণ কিছু শুনতে বা বুঝতে না পেরে এক সাংবাদিককে জিজ্ঞাসা করেন—উনি কে?এত ভিড় কেন উনাকে ঘিরে?
সাংবাদিক দু একজনের দিকে তাকিয়ে তাচ্ছিল্যের মৃদু হেসে বলেন—আরে জানেন না উনি স্মিতা সেন।বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়িকা।উনি এখন এস.রায়ের’রক্তাক্ত রাজবাড়ি’ র শুটিং করতে এসেছেন এখানে।অসম্ভব প্রভাবশালী এই নায়িকা ।কথাগুলো বলতে বলতে সাংবাদিক ছুটে চলে গেলে অর্পণ ‘হা’হয়ে হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে বসে পড়ে প্ল্যাটফর্মেই।স্মিতা হাসতে হাসতে হাত নেড়ে চলে যায়।এতক্ষণে অর্পণ কার্ড খুলে দেখে –স্মিতা রায়।বাড়ি…………।
বিশাল আকাশ, সুউচ্চ হিমালয় এরা চুপচাপই থাকে–এদের নীরবতাই এদের মহত্বের পরিচায়ক।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।