গল্পেরা জোনাকি -তে ডি. অমিতাভ

স্বর্গছবি

সকালে অনেকটা চড়াইয়ে উঠতে হয়। নির্ভরদের বাড়িটা অনেকটা নীচে। এই রাস্তাটা জঙ্গল। ঠিক জঙ্গল নয়, জঙ্গলের মতো ঘন কিন্তু বিস্তৃত নয়। রাস্তাটার দুধারে উপচে পড়া গাছপালা। রাস্তাটা আসলে বর্ষার জল নামা নালা। নির্ভর যখন সকালে একা একা সুড়সুড় করে হেঁটে যায় মনে হয় বড় একটা গর্ত দিয়ে ছোট্ট একটা ইঁদুর একমনে এগিয়ে যাচ্ছে। পাতার ফাঁক ফোকর দিয়ে কালে ভদ্রে নির্ভরের গায়ে রোদ পড়ে। রোদ পড়লে নির্ভরের মুখে অদ্ভুত একটা বেদনার হাসি খেলে বেড়ায়। নির্ভরের মা যখন তাকে সকালে দিতে আসত, রোদ পড়লে অন্য রকম একটা রঙ খুলত মায়ের মুখে। চকচকে তেলতেলা। ঠিক যেন কমলীবাজারের দুর্গাঠাকুরটার মতো লাগতো তখন মাকে।
আগে মা নির্ভরকে সকালে স্কুলে দিয়ে যেত। ও মায়ের কোলে উঠে এই চড়াইএর রাস্তাটা পার হতো। ওর তখন খুব ইচ্ছা করতো দৌড়ে জঙ্গলটা পার হয়। আর এখন মা আসে না বলে মায়ের কোলে উঠে মায়ের ঘাড়ে নাক ডুবিয়ে মাময় হয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। অবশ্য মা শেষের দিকে তাকে কোলে নিতে পারত না। তত দিনে ভাইটা মায়ের পেটে খুব বড় হয়ে গিয়েছিল। সেই ভাইটা হতে গিয়েই তো নির্ভরের মা হঠাৎ করে মারা গেল। ভাইটাও যদি বাঁচত ! নির্ভরের খেলার সঙ্গী হতো। স্কুল থেকে ফিরলে তার এখন আর কথা বলার কেউ নেই। নির্ভর কত দিন ঠাকুরকে বলেছে, ঠাকুর মা না হয় তোমাদের দুর্গার মতো ছিল বলে ডেকে নিলে কিন্তু ভাইটাকে তো রেখে দিতে পারতে। আমার সঙ্গে খেলত। এতদিনে আমার হাত ধরে হাঁটত ভাইটা !
আজ সকালে নির্ভর স্কুল বেরিয়েছে কিচ্ছু না খেয়েই। অবশ্য মা মারা যাওয়ার পর থেকেই নির্ভরের খাওয়া দাওয়া ব্যাপারটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। খাবার পেলে খায়, না পেলেও খায় অবশ্য, তান্নি। বাবার থেকে খাবার চাইলে ঘরে খাবার থাকলে খুব যত্ন করে খাওয়ায়। তখন বাবাকে অনেকটা মায়ের মতো লাগে। মায়ের মতোই মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়, ঘাড়ে সুড়সুড়ি দেয়। অবশ্য মা খুব ফরসা ছিল আর বাবার হাত চকচকে কালো। তবে বাবাকেও দেখতে খুব ভালো। পাথর কোঁদা চেহারায় নিজেই যেন ভাস্কর্য। চোখের পাতায় ঘন মেঘের কাজল পরানো। তখন বাবাকে খুব ভালো লাগে নির্ভরের। আর ঘরে খাবার না থাকলে, রাগটাগ দেখিয়ে ঘরের কোনে রাখা কুঁজোর দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলবে, তান্নি ! তান্নি ! আর তামিল ভাষায় নিজের মনে বিড়বিড় করে কী সব বলবে। হাহুতাশ করে কি তখন ? না মায়ের উপর অভিমান করে তখন ! মা-ই তো সংসারটা চালাত। বাবা শুধু এঁকে দিয়েই খালাস; মা সেগুলোকে যত্ন করে বাধাই করত ঘরে বসে আর তারপর শহরে বিক্রি করে দিয়ে আসত। সেই অল্প টাকাতেই খুব সুন্দর করে মা সংসার চালাত।
শুধু আজ নয় বেশ কদিন ধরেই নির্ভরের খাওয়া বলতে স্কুলের মিড ডে মিল। কারণ তার বাবা কদিন ধরেই বাড়ির সামনে বসানো ছোটো ছোটো নারকেল গাছের রস থেকে এক রকম তরল বানাচ্ছে আর খাচ্ছে। আর নির্ভরকে বলছে, দেখ এবার এমন একটা কাজ ধরব না মানুষ চমকে যাবে।
নির্ভর মানুষের চমকানো কী জানে না। তার জীবনে সব থেকে বড় চমক মায়ের মৃত্যু। এর থেকে বড়ো চমক তার এই সাত বছরের জীবনে কীই বা হ’তে পারে। সে বাবার কথার মানে বুঝতে পারে না। মা মারা যাওয়ার পর থেকে নির্ভর দেখে আসছে তার বাবা আর খাদের দিকে মুখ করে ইজি চেয়ারে বসে থাকে আর মনে মনে কার সঙ্গে যেন কথা বলে ! মার সঙ্গে কি?
আজ নির্ভর কিছুটা বড়োদের মতোই বলে, শুরু করবে বলছ, তো শুরু করছ না কেন ?
– করব রে করব, শুরু করলেই তো শেষ হয়ে যাবে।
– তা শেষ করো না বাবা, ঘরে যে একদম চাল, ডাল নেই। ছবিটা শেষ করে চল না দুজনে শহরে গিয়ে বিক্রি করে দিয়ে আসি!
– এবার আর শহরে বিক্রি করতে যেতে হবে না। এবার এমন ছবি আঁকবো দেখবি শহরই ছবিটা কিনতে আমাদের বাড়ি লাইন লাগিয়েছে।
স্কুলে মাস্টাররা নির্ভরকে খুব ভালোবাসে। ওর হাতের লেখা খুব ভালো। অঙ্কের মাথাও পরিষ্কার। মাথায় কোঁকড়ানো ঘন চুল ঠিক ওর বাবার মতো। তবে রঙটা নির্ভরের বাবা-মা দুজনের মেলানো বলে ওর দিকে তাকালেই মাদকতা আসে। অনেকটা হেঁটে যখন ও স্কুলে ঢোকে তখন ওর শরীর রোদের রং লাগে, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আবার বিকালের দিকে কেমন মেঘ রঙের হয়ে যায় নির্ভর। তবে মাস্টারদের থেকেও বেশি ভালোবাসে রান্নার দিদিরা। তারা চিনত নির্ভরের মাকে। আর এখন জানে নির্ভরের ঠিক মতো খাওয়া হয় না। খাবার বেশি হলে নির্ভরকে বেঁধে দেয় রাতের জন্য। নির্ভর নিতে চায় না। তার খুব লজ্জা লাগে। তারা তো গরীব নয়। বাবা ছবি আঁকলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। গরীবের মতো হাত পেতে নিতে ইচ্ছা করে না।
আজও রাতের জন্য খাবার দিচ্ছিল রান্নার দিদিরা। ও নেবে না বলাতে ছুটির সময় আবার খাইয়ে দিয়েছে পেট ভরে। বাড়ি ফিরে দেখে বাবা আজ আর খাদের দিকে মুখ করে বসে নেই। একটু অবাক হয় নির্ভর। বাবা কি তবে রান্না করছে ? রান্না ঘরে উঁকি মেরে দেখে সেখানেও বাবা নেই। ছবির ঘরে দেখে বাবা রঙ মেশাচ্ছে। আবার তাহলে বাবা আঁকবে ! আনন্দে নির্ভর উবু হয়ে বসে রঙ মেলানো বাবাকে জড়িয়ে ধরে। নিয়মিত খেতে পাওয়ার আশায় নয়, নির্ভরের না খাওয়াটা অভ্যাস হয়ে গেছে; বাবা আঁকলে সব থেকে খুশি থাকে সেই আনন্দে ছোট্ট নির্ভর মনে মনে নেচে ওঠে।
– ও বাবা, কী ছবি আঁকবে আজ ?
– আগে থেকে বলা যায় না রে নির্ভর !
– তবু বল বাবা কী আঁকবে আজ ?
– ছবি আঁকা শুরু করি আমি। তারপর ছবিরাই নিজেদের এঁকে নেয় রে ! বড়ো হ, তখন তুইও বুঝবি।
– বাব্বা ! তুমি একটা মায়ের ছবি এঁকে দাও।
– দূর বোকা, বললেই কী আঁকা যায় ছবি ! তোর মাকেও তো আমার কাছে আসতে হবে ছবি হয়ে। তোকে বললাম না এবার একটা বড় কাজ করব। দারুণ একটা আইডিয়া আছে। দেখি কাজটা করতে করতে তোর মা ছবি হয়ে আমার কাছে আসে কিনা ! তোর মায়ের যে আমার উপর খুব অভিমান। কিছুতেই ধরা দিতে চায় না !
গত পনেরো দিন ধরে নির্ভরের বাবা ছবি আঁকছে। বাড়ির সামনে খাদের দিকে উঠোনে বিশাল বড়ো একটা ক্যানভাস টাঙিয়েছে। ক্যানভাসটা খাদের সামনে যেন পাঁচিল তোলা। এত বড় ক্যানভাস নির্ভর দেখেনি কখনও। নির্ভর বাবার ক্যানভাসটাও দেখতে পাচ্ছে না। ক্যানভাসের সামনে ত্রিপল দিয়ে ঘিরে নিয়েছে; নির্ভরের বাবা আঁকার সময় স্টুডিওতে কেউ ঢুকুক একদম চায় না। এমন কী তার মাকেও ঢুকতে দিত না। তবে তার বাবার সব ছবির দ্বিতীয় দর্শক ছিল মা। প্রথম দর্শক শিল্পী নিজেই। হয়তো তারও আগে ঈশ্বর দেখে যায় শিল্পীর ছবি। নির্ভরের দৃঢ় বিশ্বাস তার বাবা ঈশ্বর অথবা ঈশ্বরের কেউ হয়; না হলে এতো ভালো ছবি আঁকতে পারত না। তাদের শোওয়ার ঘরে একটা পাখির ছবি আছে। মেঘের মধ্যে দিয়ে উড়ছে। যতবার সে ছবির দিকে তাকিয়ে চোখের পাতা ফেলেছে পাখিটা ততবার ডানা ঝাপটায়। চোখ বন্ধ করে সে যখন ছবিটার কথা ভাবে সে বুঝতে পারে পাখিটা ঘরময় উড়ে বেড়াচ্ছে। মা মারা যাওয়ার পর ঘুমের আগে সে রোজই পাখিটার কথা ভাবে। পাখির ডানার হাওয়ায় সে মায়ের আঁচলের গন্ধ পায়। ঘুমিয়ে পড়ে মায়ের বুকে মুখ গুঁজে।
গত পনেরো দিন নির্ভর দিনে একবার করে খেয়েছে। স্কুলের মিড ডে মিল। রবিবারগুলো কিছুই খাওয়া হয়নি। আজ সোমবার। কাল আজ দুদিন খাওয়া হয়নি। নির্ভর আজ জ্বরের জন্য স্কুলে যেতে পারেনি। তাও হয়তো যেত স্কুলে কিন্তু আজ সকালেই নির্ভরের বাবা বলেছে আজ ছবি শেষ হয়ে যাবে, দুপুরেই নির্ভরকে দেখাবে। ছবির দ্বিতীয় দর্শক হওয়া খুব ভাগ্যের ব্যাপার মনে করে নির্ভর। তার মা ছাড়া আর কারও সে সৌভাগ্য হয়নি ভেবে সে মনে মনে ছটপট করে ওঠে।
দুপুরে জ্বরের চোটে নির্ভর ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম থেকে উঠে আজ তার খুব ক্ষিদে পাচ্ছে। জলের কুঁজোর কাছে গিয়ে দেখে কুঁজোয় একটুও জল নেই।
কুয়ো থেকে জল তুলতে গিয়ে বাবার ত্রিপল ঘেরা বিশাল অস্থায়ী স্টুডিওর দিকে লক্ষ্য পড়ে। ত্রিপলের একটা ফাটা অংশ দিয়ে দেখা যাচ্ছে ছবিটা ! কিন্তু ছবি কোথায় ? সামান্য অংশ দিয়ে দেখা যাচ্ছে হলুদ আর সবুজের মিশ্রণে একটা মনোরম জঙ্গলের অংশ।
কুয়ো থেকে জল তুলে এনে ঢক ঢক করে জল খায় নির্ভর। পেট ভরে যেতে বাবার কথা মনে পড়ে। চিৎকার করে বাড়ির ভেতর থেকে জানতে চায়, বাবা, তুমি কিছু খেয়েছ ? তোমার ক্ষিদে পায়নি ! অস্থায়ী স্টুডিওর ভেতরে লম্বা মইএর উপরে থেকে নির্ভরের বাবা উত্তর দেয়, ছবি আঁকলে ক্ষিদে পায় না রে !
– তুমি কি দিনরাত ছবি আঁকো নাকি ?
– যখন আঁকি না তখন ঘুমোই। ঘুমোলে ক্ষিদে আর থাকে না। আসলে ঘুমই তো এক ধরনের খাদ্য।
– উফ বাবা, তুমি না যাতা !
– তুই খেয়ে নে নির্ভর। আজই ছবি শেষ করব।
নির্ভরের বাবার কথাগুলো শেষের দিকে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হতে থাকে বুঝতে পারে নির্ভর। একটু জল দিয়ে আসতে পারলে ভালো হতো। সে আবার চিৎকার করে বলে, বাবা, তান্নি ?
নির্ভয়ের বাবা বাঙ্গালী মেয়েকে বিয়ে করে পুরো তামিল ইলম ছেড়ে দিয়েছে, শুধু জলকে এখনও তান্নি বলে।
– না। ছবি শেষ হলে …
সোমবারও ছবিটা শেষ হয় না। সারাদিন সারারাত চেষ্টা করেও নির্ভরের বাবা ছবিটা শেষ করতে পারেনি। অত বড়ো ক্যানভাস ! লম্বা মই টেনে টেনে ফিনিসিং টাচ দিতেও অনেক সময় লেগে গেল। ভোর রাতে ছবিটা শেষ হয়। নির্ভর জ্বর নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। ভোরবেলা তাকে ডেকে তোলে বাবা। বাবাকে দেখে সে অবাক হয়ে যায়। গত পনেরো দিনের ধকলে বাবা একদম অন্যরকম হয়ে গেছে। দাড়িগুলো কুঁচকে গিয়ে বসে আছে থুতনি, চিবুকে, গলায়। পদ্মদিঘির কালো জল যেন বাবার মুখে; ঘন পদ্মফুল দাড়ি হয়ে ফুটে উঠেছে। মাথার জঙ্গল ঝামরে পড়েছে ঘাড়ে। ঠিক যেমন নির্ভরের স্কুলে যাওয়ার পথটা ঝামরে থাকে গাছপালায়। চোখ দুটো ভোরের আকাশের মতো নির্মল। চোখের তারায় সুখতারার মিটি মিটি স্নিগ্ধতা।
– চল, ওঠ নির্ভর, দেখবি চল আমার কাজটা কেমন হয়েছে !
– তুমি কখন শেষ করলে বাবা ?
– এই তো শেষ করলাম রে। চল, চল দেখবি। তোর মা চলে যেতে এই প্রথম ছবি আঁকলাম। তোকেই প্রথম দেখাব। তোর মা থাকলে জেগে বসে থাকত স্টুডিওর বাইরে, কখন শেষ হবে।
– মায়ের ছবি আঁকলে বাবা ?
– নারে তোর মায়ের আমার উপর খুব অভিমান। কিছুতেই পুরোটা ধরা দিতে চাইল না। তাই তোর মা যেখানে আছে সেখানের ছবি আঁকলাম।
– মা কোথায় আছে, বাবা ?
– স্বর্গে।
– তুমি স্বর্গের ছবি এঁকেছো বাবা ? চলো চলো !
এক দৌড়ে বেরিয়ে আসে নির্ভর। ভোরের নরম আলোয় সে কোন ছবি খুঁজে পায় না। উঠোনের প্রান্তে নতুন একটা জগত দেখতে পায়। হলুদ আর সবুজ পাতা ভরা একটা সুন্দর দুনিয়া উঠে গেছে চারদিকে ধীরে, খুব ধীরে। গাছের কাণ্ডগুলো দেখা যাচ্ছে খুব ছোটো ছোটো। হলুদ-সবুজ গাছের মাঝে মাঝে লালচে হলুদ পাতার নীচু নীচু ঝোপ। জায়গাটা আসতে আসতে উঠে গেছে উপর দিকে। একটা গাছের পিছন দিকে একটা হাতি। নীল হাতি। তার পাশেই শুঁড় তোলা বাচ্চা আরও একটা।
ছবি কোথায়, এতো বাস্তব ! জীবন্ত সব কিছু। পাতা নড়ছে। হাতি শুঁড় দোলাচ্ছে নি:শব্দে। হাতিদের থেকে ওপরের দিকে মুখ তুলে নির্ভর মাকে দেখতে পায়। তার দিকে দু হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। চিত করা দু হাত কোমরের সামনে বাড়ানো, ঠিক নির্ভরের উচ্চতায়। আটটা আঙ্গুল নেড়ে ডাকছে যেন তাকে ! নির্ভর আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। দৌড় লাগায় মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়তে। যেমন করে স্কুল থেকে একা ফিরে ঝাঁপিয়ে পড়ত মায়ের কোলে তেমনি জোর লাগায় দু পায়ে।
নির্ভরের বাবা কিছু বোঝার আগেই ক্যানভাস ফেঁড়ে নির্ভর মায়ের কাছে পৌঁছতে চায়। নির্ভরের বাবা অপূর্ব সুন্দর ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকে কয়েক মুহূর্ত। এক মুহূর্ত মনে মনে নিজের শিল্পী সত্তাকে বাহবা দেয়। তারপর নির্ভরের দেখানো স্বর্গের পথে ঝাঁপ মারে। ক্যানভাসের ফেঁড়ে যাওয়া অংশে একটা গুহা মুখের ছবি তৈরি হয়ে যায় শিল্পীর শরীরের পরিধি বরাবর!
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।