—”শ্রদ্ধেয় শ্রী রাগতাপসের নাম শুনেছেন নিশ্চয়?”
—”বিলক্ষণ!ওঁর গান শুনেই তো শিখেছি মাইক ধরতে।”
—”শেষ বয়সের চিকিৎসাতে খরচটা তো খুব হয়;
টিকিটের টাকা সমস্তটাই, দান হবে নিঃশর্তে।”
—”আমায় তবে কী করতে হবে? করেন একটু খোলশা।”
—”কয়েকটা শো, খুব বেশি নয়। সবটাই নি-খরচায়।”
—”মেয়ের স্কুলের ফিস বাকি পড়ে। খাবারেও চাই হোলসাম।
তবুও একটু স্যারের জন্য কিছু করতে তো মন চায়!”
রাষ্ট্র হল, গায়ক হিসাবে আমি নাকি বেশ সস্তা।
টুপি-টাপা দিয়ে কোনোরকমে চালিয়ে দিলেই মিটবে।
অনাথ-আশ্রম, বৃদ্ধাশ্রমে সকাল-বিকেল নাস্তা,
আমার টিকিট থেকেই আসে। আমার কিভাবে জুটবে?
আজকে আমি শয্যাশায়ী। পথ্যের ব্যয় পেল্লায়।
গাইয়ের কাছে গিয়েছিল ক্লাব, অনুরোধ — টাকা লাগবে।
আমার বিশাল অনুগত বলে টিভিতে যে খুব চেল্লায়,
বিনা পয়সায় গান করতে তার নাকি খুব বাধবে।