সম্পাদকীয়

মৃত্যুর মিছিল, আর সংক্রমণের আতংক। মানুষের মন দিশাহারা হয়ে আছে। সবাই নানান মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করছেন, কি হবে ? কি হবে ? এইটাই কি সভ্যতার শেষ ? একি মানুষের দর্পচূর্ণ হবার গল্প শুধু ?
আমি মা। আমি চিকিৎসক। আমি অঞ্জলি পেতে বৈশাখী পূর্ণিমায় পৃথিবীতে আসা এক রাজপুত্রের উচ্চারণকে সাথে নিয়ে বসে আছি। সারনাথের দেওয়ালে ছবি দেখে এসেছিলাম, আর অবন ঠাকুরের শব্দে আঁকা গল্প নালক ; প্রাণ ভয়ে ভীত ছুটে পালানো আর্ত মানুষের পিছনে তাড়া করেছে “মার”। তার অস্ত্র জরা, ব্যাধি, মৃত্যু। বোধিবৃক্ষের নীচে উঠে দাঁড়িয়ে বিজয়ী রাজপুত্র অভয় দিয়ে বলছেন, স্থির হও, ভয় নেই। নির্ভয়ে রুখে দাঁড়াও। প্রাণ আর আলোই জিতে যাবে।
আমিও সেই আশ্বাসে বসে আছি।
নতুন প্রাণ জিতে যাবেই। সুস্থ হয়ে উঠবে পৃথিবী।
ডালপালা
শিশুরা গাছের মত।কষ্ট পায়। নুয়ে পড়ে।
ভাংগে না সহজে।
তবু তো ওদের ই জন্যে সব দিকে আলো
ঘরে ছোট ছোট চটি
হালুম বাঘের গল্প
পেনসিল ছাড়া কি থাকা যায়?
কত রং। কত দোল।
ভালবাসা। সব ফের আসে
আবার ছোটরা আসে তাই।
পুরোনোকে ধাক্কা দিতে
বেয়াড়া সবুজ।
ঝুল টুল ঝরে পড়ে খুস
জীর্ন কাঁচ খসে পড়ে যায়।
জীবনের ঢেউ মেখে বুড়ো চুল
পা ছড়িয়ে বসে থাকে।
ভিজে বালিহাঁস হাওয়া
দামাল জলের ফেনা
কৈশোর বিষাণে বাজে যুধাজিত প্রানের উল্লাস
বেঁচে- আছি উৎসবের ডাক পড়ে কণায় কণায়।

সোনালি

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।